হঠাৎ কেন বাড়ছে করোনা সংক্রমণ?

হঠাৎ কেন বাড়ছে করোনা সংক্রমণ?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দেশে গেলা ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৩৫ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে আজ বুধবার এ তথ্যে আরও জানানো হয়েছে একজনের মৃত্যুও হয়েছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। গত কয়েক দিনের পরিসংখ্যান বলছে, আবার অল্প অল্প করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। কিন্তু কী কারণে আবার দাপট বাড়ছে কোভিডের, জেনে নিন।

  • মাস্ক না পরা

এ বছরের শুরুর দিকে কোভিডের দাপট কমায় অনেকেই ভেবেছিলেন, করোনা বুঝি বিদায় নিয়েছে। সেই ভাবনাকে মাথায় রেখেই মাস্ক পরার অভ্যাসে ত্যাগ করার প্রবণতা তৈরি হয় অনেকের মধ্যেই। রাস্তাঘাটে, গণপরিবহনগুলোতে একটা বড় অংশের মানুষকে মাস্কহীন অবস্থায় দেখা যায় প্রতিনিয়ত। অসচেতনতাই নতুন করে কোভিড সংক্রমণের একটা বড় কারণ।

  • সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা

কোভিড সংক্রমণ কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় সবাই ভুলে গেছে কোভিডবিধি। ফলে উৎসব, অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অনেক মানুষ জমায়েত হচ্ছেন। বাসে, ট্রেনে, বাজারে, বিপণিবিতানগুলোতে মানা হচ্ছে না কোনো শারীরিক দূরত্ব। যার ফলস্বরূপ পুনরায় দেশজুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ।

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা

কোভিড সংক্রমণ নিম্নগামী হতেই বারে বারে স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশের ব্যবহারও কমেছে। বাইরে থেকে ফিরে হাত-পা ধোয়া, সাবান পানিতে পোশাক পরিষ্কার নেওয়ার মতো সুরক্ষাবিধিও মানা ছেড়ে দিয়েছেন অনেকেই। করোনা সংক্রমণ বাড়ার নেপথ্যে রয়েছে এই কারণটিও।

  • ঠাণ্ডা লাগা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া

সর্দি, কাশি, জ্বর হলেও তা বৃষ্টিতে ভিজে বা এসির বাতাস থেকে ঠাণ্ডা লেগে হয়েছে বলেই ধরে নিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, কোভিড এখনও নির্মূল হয়নি। ফলে সামান্য সর্দি, জ্বর, কাশি, গলা ব্যথার মতো উপসর্গ এড়িয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। কোভিড সংক্রান্ত একটিও উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াটা জরুরি। পজিটিভ এলে হোম কোরেন্টাইনে থাকুন। নয়তো আবার দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে কোভিড।

  • করোনা টিকায় অনীহা

কোভিড টিকা না নেওয়া মানুষের সংখ্যা কম হলেও একেবারে শূন্য নয়। করোনার সঙ্গে লড়াই করার অন্যতম অস্ত্র টিকা নেওয়া। টিকা নিয়ে আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সবার কোভিডের বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *