২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

৬ মাস পরই কমতে থাকে ফাইজার টিকার কার্যকারিতা : গবেষণা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মূল করোনাভাইরাসের পাশাপাশি এর সবচেয়ে সংক্রামক পরিবর্তিত ধরন ডেল্টাসহ অন্যান্য ধরনের বিরুদ্ধে বর্তমানে প্রচলিত করোনা টিকাগুলোর মধ্যে এখনও সবচেয়ে কার্যকর ফাইজার-বায়োএনটেক। কিন্তু এই টিকার করোনা প্রতিরোধী ক্ষমতা কমতে শুরু করে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করার ছয় মাস পর থেকেই।

সম্প্রতি টিকা ও ওষুধ প্রস্তুতকারী মার্কিন কোম্পানি ফাইজার এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান কাইজার পার্মানেন্টের এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে। গত ৪ অক্টোবর বিশ্বের শীর্ষ চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশ করা হয়েছে এ বিষয়ক গবেষণা প্রবন্ধটি।

গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা করোনায় মৃত্যু ও এ রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি ৯০ শতাংশ কমাতে সক্ষম। এমনকি, এই ভাইরাসের অতি সংক্রমক পরিবর্তিত ধরন ডেল্টার ক্ষেত্রেও এই টিকার কার্যকারিতার কোনো হেরফের হয় না।

তবে এই কার্যকারিতা বা প্রতিরোধী শক্তির মেয়াদ থাকে মাত্র ৬ মাস। এই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরই মানবদেহে হ্রাস পেতে শুরু করে ফাইজার টিকার কার্যকারিতা। ক্ষেত্রবিশেষে এই হ্রাসের হার ৪৭ শতাংশ থেকে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ৩০ লাখ ৪০ হাজার মানুষের, যারা ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের আগস্টের মধ্যে ফাইজার টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করেছেন, তাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, ফাইজারের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর প্রথম মাসে মানবদেহে ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে ৯৩ শতাংশ প্রতিরোধী শক্তির উপস্থিতি থাকে; কিন্তু চার মাস পর এই হার নেমে আসে ৫৩ শতাংশে।

ডেল্টা ব্যতীত করোনাভাইরাসের অন্যান্য পরিবর্তিত ধরনের ক্ষেত্রে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর প্রথম মাসে ৯৭ শতাংশ সুরক্ষা ভোগ করেন টিকাগ্রহণকারী, কিন্তু চার মাস পর তা হ্রাস পেয়ে নেমে আসে ৬৭ শতাংশে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com