পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আগামী অক্টোবর মাস থেকে আবারও করোনা টিকা রপ্তানি শুরু করবে ভারত। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মন্দাভিয়া দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন।
এ বছরের এপ্রিলে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদক দেশ ভারতের ওই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে টিকা সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
ভারত সরকার ডিসেম্বরের মধ্যে দেশটির ৯৪ কোটি ৪০ লাখ প্রাপ্তবয়স্কের সবাইকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে; দেশটির প্রাপ্তবয়স্কদের ৬১ শতাংশ এরই মধ্যে টিকার অন্তত একটি ডোজও পেয়ে গেছেন।
মনসুখ মন্দাভিয়া বলেন, ভারত সরকার উদ্বৃত্ত টিকা থেকে রপ্তানির পাশাপাশি আগের মত অনুদানও দেবে। আর এক্ষেত্রে প্রতিবেশীরাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে।
তিনি জানান, ভারতে এখন দৈনিক টিকা উৎপাদনের পরিমাণ এপ্রিলের দ্বিগুণেরও বেশি। আগামী মাসে তা চারগুণ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি টিকা উৎপাদন করে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়া। এ কোম্পানি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড’ কিনতে গত বছরের নভেম্বরে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরপর জানুয়ারিতে ৬০০ কোটি টাকার বেশি অগ্রিম হিসেবে দেয় সরকার, যা টিকার মোট দামের অর্ধেক।
চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা ছিল। গত ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় চালানে ২০ লাখ ডোজ টিকা আসে বাংলাদেশে।
এদিকে, সেপ্টেম্বরের শুরুতে ভারত সফর করে এসে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছিলেন, সেরাম ইনিস্টিটিউট উৎপাদন বাড়াতে না পারায় বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী টিকা পায়নি। অক্টোবরের শেষ দিকে এ প্রতিবন্ধকতা ‘কেটে যেতে পারে’ বলে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন।


