পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে অনার কিলিংয়ের নামে পাকিস্তানে দুই কিশোরীকে মেরে ফেলা হয়েছে। পারিবারিক সম্মান রক্ষার্থে এই অনার কিলিং-এর ঘটনা নিয়ে হই চই শুরু হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওয়াজিরিস্তানের দুর্গম এক এলাকায়। পরিবারের দুই মেয়েকে গুলি করে হত্যা করে পরিবারেরই এক সদস্য।
পাকিস্তানের পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।
ওয়াজিরিস্তানের একটি দুর্গম এলাকায় এক লোকের সাথে দুই কিশোরীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) খাইবার পাখতুনখাওয়ার সীমান্তবর্তী এক গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকেলে হত্যা করা হয় ঐ কিশোরীদ্বয়কে। পাকিস্তানের পুলিশের বরাত দিয়ে শীর্ষ এক দৈনিক ডন এ খবর জানিয়েছে।
নিহতাদের একজনের বয়স ছিল ১৬ এবং আরেকজনের ১৮।
ডন পত্রিকার হাতে ভিডিওটি এসেছে এবং তারা বলছে ভিডিওতে দেখা গেছে এক যুবক ভিডিওটি ধারণ করছিলেন, যেখানে তিনটি মেয়ে উপস্থিত ছিলো এবং জায়গাটি ছিল নির্জন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অন্তত এক বছর আগের ভিডিও এটি, সম্প্রতি এটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
পাকিস্তানের একজন পুলিশ অফিসার বলেন, “এখন আমাদের দায়িত্ব তৃতীয় মেয়েটি ও যুবকের প্রান বাঁচানো।”
পাকিস্তানে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, দেশটিতে নারী ও মেয়েদের ওপর সহিংসতা একটা ভয়াবহ সমস্যা।
উল্লেখ্য, রক্ষণশীল ইসলামিক দেশ পাকিস্তানে প্রতি বছর গড়ে এক হাজারটি অনার কিলিং হয়। নিহতদের অধিকাংশই মহিলা। ২০১২ সালে একটি বিয়েবাড়িতে পাঁচ তরুণীকে সম্মান রক্ষার জন্য গুলি করে মারে তাদেরই পরিবারের লোকেরা। কারণ, বিয়েবাড়িতে ছেলেরা নাচছিল ও ওই মেয়েরা তাদের উৎসাহিত করছিল।
সূত্র : বিবিসি


