পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আল-আকসা মসজিদ। জেরুজালেমের পুরনো শহরে অবস্থিত ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এটির সাথে একই প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। স্থাপনাগুলো সহ এই পুরো স্থানটিকে হারাম আল শরিফ বলা হয়। এবার পবিত্র এই মসজিদকে রক্ষা করতে নতুুন করে জাগরণের ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিন।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) আল আকসার খতিব শায়খ ইকরিমা সাবরি জুম্মার খোতবায় ইসরায়েল বিরোধী বক্তব্য দেয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দখলদার কতৃপক্ষ। ফিলিস্তিন এই বরখাস্তাদেশকে ইসরায়েলের মানবাধিকার নীতিমালার লঙ্ঘন আখ্যা দিয়েছে। ফিলিস্তিন বিষয়ক ইসরায়েলের এসব খবরদারি বন্ধে এই জাগরণের ডাক দেয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাগরণের উদ্দেশ্য আল আকসার প্রতি আরব ইসলামি শক্তিসমূহের সমর্থন পুনঃযাচাই করা,এর মাধ্যমে মুসলিমরা যেন স্বাধীনভাবে আল আকসায় আসতে পারে এবং নির্বিঘ্নে পবিত্র এই মসজিদে ইবাদত করতে পারে।
রোববার সন্ত্রাসবাদী অবৈধ দেশটির তরফ থেকে জেরুসালেমের সর্বোচ্চ ইসলামিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও আল আকসার খতিব শায়খ ইকরিমাকে এক সপ্তাহের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গত শুক্রবার জুম্মার খোতবায় দখলদারদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক কথা বলার জেরে তাকে এই নিষেধাজ্ঞাদেশ দেয়া হয়েছে বলে ইসরায়েল দাবি করছে।
ডেইলি সাবাহ আরবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জিজ্ঞাসাবাদের পরে শায়খ ইকরিমা সাবরির নিষেধাজ্ঞাদেশ আরও বাড়তে পারে।
ওয়াফা নিউজ এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রোববার ভোর থেকেই জেরুজালেমে বসবাসরত মুসলমানদের ওপর অস্বাভাবিক কঠোরতা শুরু করেছে ইহুদিবাদী সৈন্যরা এবং সিলওয়ানের কয়েকটি দোকান ও বাসস্ট্যান্ডে হামলা চালিয়েছে তারা।
সূত্র : আনাদুলু


