ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৫.০৪%

ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৫.০৪%

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : তৈরি পোশাক আমদানিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইউরোপ। বিশ্বে মোট পোশাক আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ করে থাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলো। এই বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে চীন; এরপরেই রয়েছে বাংলাদেশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) এর পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এ সময়ে ইউতে রপ্তানি বেড়েছে ১৫.০৪%।

অন্যদিকে ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ইইউর বাইরের দেশগুলো থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে ৯ হাজার ৫১৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশ। তার মধ্যে ২ হাজার ৭৯৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে চীন। দেশটির এই রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.২৯% বেশি। অন্যদিকে একই সময়ে অর্থাৎ ২০২২ সালের প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশ থেকে ইইউতে ২ হাজার ১১৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি চীনের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ বেড়েছে ৩৮%।

ইউরোপের বৃহত্তম বাজার জার্মানিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পোশাক রপ্তানি বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ০.৮৩%; স্পেন ও ফ্রান্সে বেড়েছে যথাক্রমে ১৮.১৮% এবং ১৮.৭৪%। অন্যান্য প্রধান ইইউ দেশ ইতালি, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনে রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ৫৭.৫০%, ৩২.৯৩%, ৩২.৪১% এবং ২৩.২৮%।

উল্লেখিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১.৯৮%।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “২০২২-২৩ সালের জুলাই-জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য এবং কানাডায় দেশের রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ১৪.৪৭% এবং ১৯.২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “উল্লেখিত সময়ের মধ্যে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি ৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।”

মহিউদ্দিন রুবেল জানান, প্রধান অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপানে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে দেশের রপ্তানি ৯২০.২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৫,৯২%।

উচ্চ প্রবৃদ্ধিসহ অন্যান্য অপ্রচলিত বাজারগুলো হলো মালয়েশিয়া (৯২.৭৭%), মেক্সিকো (৪২.৭০%), ভারত (৫৮%), ব্রাজিল (৬৪.১৪%) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৩৭.৩৯%)।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *