ইউক্রেনে এবার ১১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে স্লোভাকিয়া

ইউক্রেনে এবার ১১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে স্লোভাকিয়া

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইউক্রেনের জন্য গতকাল শুক্রবার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে স্লোভাকিয়া। এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো মিত্রদেশ ইউক্রেনের জন্য মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতে এ যুদ্ধবিমানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডও ইউক্রেনের জন্য যুদ্ধবিমান সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছে। দুটি দেশই ন্যাটো সদস্য ও ইউক্রেনের প্রতিবেশী।

গত গ্রীষ্মে ১১টি পুরোনো মিগ-২৯ বিমান বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় স্লোভাকিয়া। এর মধ্যে বেশির ভাগই কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। যে বিমানগুলোর কার্যক্ষমতা আছে, সেগুলোই ইউক্রেনের জন্য পাঠানো হবে। বাকিগুলোর যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করা হবে।
স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার্দ হেগের বলেন, তাঁর দেশ ইউক্রেনের জন্য কেইউবি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও পাঠাবে।

হেগের বলেন, ‘সরকার আজ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি (অনুদানের বিষয়ে) অনুমোদন করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব যুদ্ধবিমান হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি পোল্যান্ড, ইউক্রেন এবং অবশ্যই অন্য মিত্রদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে করা হচ্ছে।’

প্রতিদান হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান পাবে স্লোভাকিয়া। হেগের বলেন, প্রায় ৭০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক উপকরণ সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও তাদের একটি চুক্তি হয়েছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে পোল্যান্ড ও স্লোভাকিয়ার মতো ন্যাটো মিত্রদেশগুলো কিয়েভকে দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছে।
বৃহস্পতিবার পোল্যান্ড ঘোষণা দিয়েছে, তারা সামনের দিনগুলোতে ইউক্রেনের জন্য চারটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করবে। পোল্যান্ড হলো প্রথম মিত্রদেশ, যারা ইউক্রেনের জন্য এমন যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করলেও এখন পর্যন্ত তারা যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা নিয়ে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।

২০১৮ সালে স্লোভাকিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান অর্ডার করেছে। পুরোনো মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানগুলো সরিয়ে এফ-১৬ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এ যুদ্ধবিমানের প্রথম চালানটি ২০২৪ সালে পৌঁছানোর কথা।
সেপ্টেম্বরে স্লোভাকিয়ায় আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে পর্যন্ত হেগের সরকার দেশটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব পালন করছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *