ইমরান খানকে অক্ষম প্রধানমন্ত্রী বললেন নওয়াজ কন্যা

ইমরান খানকে অক্ষম প্রধানমন্ত্রী বললেন নওয়াজ কন্যা

ইমরান খানকে অক্ষম প্রধানমন্ত্রী বললেন নওয়াজ কন্যা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইমরান খানকে ধুয়ে দিলেন নওয়াজ শরিফ কন্যা মরিয়ম নওয়াজ। তার প্রধামন্ত্রিত্বের কোনো যোগ্যতা নেই বলে দাবি করেছেন। তাকে অক্ষম আখ্যায়িত করেছেন। ‘নয়া পাকিস্তানের’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসা ইমরান খানকে পাকিস্তানের সবচেয়ে অক্ষম প্রধানমন্ত্রী বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দল পিএমএল-এনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়ম নওয়াজ। খবর ডনের।

‘এওমে তাকবির’ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার লাহোরে এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ মে পাকিস্তান পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে বিশ্বের সপ্তম দেশ হিসেবে নাম লেখায়। মুসলিম বিশ্বে পাকিস্তানই পারমাণবিক শক্তিধর প্রথম দেশ। ওই সময় ক্ষমতায় ছিলেন নওয়াজ শরিফ। দিনটিকে ‘এওমে তাকবির’ হিসেবে পালন করা হয়।

নওয়াজ শরিফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ইমরান খান দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ, অযোগ্য এক নেতা।

তিনি বলেন, আজ যদি নওয়াজ শরিফ জেলের বাইরে থাকতেন, তা হলে এই পিটিআই (তেহরিক-ই ইনসাফ পাকিস্তান) সরকার টিকত না।

মরিয়ম বলেন, আপনি হয়তো বাছাই করা একজন নেতা। কিন্তু আপনি পাকিস্তানের অক্ষম প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্যর্থতার আড়ালে মুখ না লুকাতে ইমরান খানকে আহ্বান জানান।

এদিকে দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আমন্ত্রণ পাচ্ছেন না বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

ভারতে লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি; আগামী ৩০ মে পুনর্বার সরকার প্রধান হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন মোদী।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সার্কভুক্ত সব দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদী। তখন সার্কের সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিবেশী দেশটির প্রধানমন্ত্রীর অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। কিন্তু পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাগ্যে তা ঘটছে না বলে নয়া দিল্লির কয়েকটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স।

ক্রিকেটার ইমরান খান পাকিস্তানের সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এই বছরের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধার পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ না বাঁধার পর মোদীর জয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ইমরান; দুদিন আগে টেলিফোনেও দুজনে কথা বলেন। ৩০ মে শপথ অনুষ্ঠানের যে প্রস্তুতি ভারত সরকার নিয়েছে, তাতে ইমরান খানের অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ দেখা যাচ্ছে না বলে ভারতের গণমাধ্যমেও খবর এসেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *