পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইসরায়েলের গোপন অপারেশনে আল কায়েদার বর্তমান নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরির উত্তরসূরী, সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু আহমেদ আল-মাসরি ইরানে নিহত হয়েছেন। তিন মাস আগে গত ৭ আগস্ট ইরানের তেহরানে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে। নিহত আবদুল্লাহ আহমেদ আবদুল্লাহ ওরফে আবু আহমেদ আল-মাসরিকে ১৯৯৮ সালে আফ্রিকার দেশ কেনিয়া ও তানজানিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মনে করা হয়। ওই হামলার পরই এফবিআই এর মোস্ট ওয়ান্টেড টেরোরিস্টের তালিকায় ছিলেন তিনি।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, তিন মাস আগে তেহরানে মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি আল-মাসরিকে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই মারা যান মাসরি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশে গোপনে ওই ইসরাইলি অপারেশন চালানো হয়। তবে তাকে হত্যার এ ঘটনা এতদিন গোপন রাখা হয়।
মাসরিকে হত্যার বিষয়ে আল কায়দার পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তারা আল-মাসরির মৃত্যুর খবর নিশ্চিতও করেনি। ইরান সরকারও বিষয়টি নিয়ে চুপ রয়েছে।
মিসরীয় বংশোদ্ভূত আল কায়েদার এ শীর্ষ নেতাকে হত্যার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী, তা স্পষ্ট নয়। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ বহু বছর ধরেই ইরানে আল কায়েদার কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি চালিয়ে আসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্তৃপক্ষের একজনের নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এ ছাড়া ওই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত কিনা সে বিষয়েও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে নাম প্রকাশ না করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ২০০৩ সাল থেকে মাসরি ইরানের কারাগারে ছিলেন। ২০১৫ সাল থেকে তেহরানের একটি উন্নতমানের শহরতলিতে বাস করছিলেন আল কায়েদার এ শীর্ষ নেতা।
/এএ


