পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সংগঠন অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্সের নির্বাহী কমিটির জরুরি বৈঠকে ফিলিস্তিনে চলমান নৃশংসতার জন্য এককভাবে ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার (১০ মে) নতুন করে আন্তঃসীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইসরায়েল ও হামাস। জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি সেনাদের হামলার ঘটনায় সংঘাতের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার (১০ মে) শুরু হয়ে সপ্তম দিনে গড়ানো চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৫২। হামাসের ছোড়া রকেটে ইসরায়েলে দুই শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার (১৬ মে) ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
এক টুইট বার্তায় তুকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু বলেন, ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের রক্ষার জন্য আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব পদক্ষেপে নেতৃত্ব অব্যাহত রাখব।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শনিবার (১৫ মে) প্রথমবারের মতো ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফোনে কথা বলেছেন বাইডেন। ফোনালাপে গাজা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামাসের রকেট হামলা থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংঘাত অবসানের কোনও ইঙ্গিত স্পষ্ট না হওয়ায় রবিবার (১৬ মে) পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইসরায়েল ও গাজার নিয়ন্ত্রক হামাস জানিয়েছে তারা আন্তঃসীমান্ত গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখবে।


