ইসলাম ভালোবাসার জন্য, মারামারি করতে নয় : মাওলানা মাসঊদ

ইসলাম ভালোবাসার জন্য, মারামারি করতে নয় : মাওলানা মাসঊদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ● ইসলাম এসেছে ভালোবাসার জন্য, মারামারি করার জন্য নয়। মুসলমানদের বদনাম করার জন্য ইহুদিদের ইন্ধনে সন্ত্রাসীরা উঠেপড়ে লেগেছে। সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই। বাংলাদেশে কখনোই সন্ত্রাসবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না।

বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এসব কথা বলেছেন।

কুয়ালালামপুরে রোববার মালেয়শিয়া আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ দমনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকা এবং কওমী মাদ্রাসার সনদের সরকারি স্বীকৃতি ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মাসউদ বলেন, প্রবাসীদের অবদানেই দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবাসীরাই হচ্ছেন অর্থনীতির চালিকা শক্তি। মালয়েশিয়াতে আপনারা যারা অবস্থান করছেন, দেশটির আইন কানুন মেনে চলার চেষ্টা করবেন।

প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিদেশে আপনারা যত ভালো কাজ করবেন, তত দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে। বিদেশিরাও আমাদের দেশ তথা আপনাদের মূল্যায়ন করবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মুসলমানের চরম শত্রু হচ্ছে ইহুদিরা। আর এ ইহুদিরাই জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা। ইহুদিরাই মুসলমানদের ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

তারা বলেন, সমাজবাদীরা বলছেন- কওমী মাদ্রাসাগুলো জঙ্গি প্রজনন ক্ষেত্র, সেটা ভুল। বৃটিশ আমল তেকে কওমী মাদ্রাসার আলেম-ওলামাদের অবদান রয়েছে ইসলাম প্রচারে। বর্তমান সরকারের ভুল ভেঙেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমী মাদ্রাসার সনদকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

মালেয়শিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট মিনহাজ উদ্দিন মিরানের পরিচালনায় সভায় আলোচক ছিলেন, কারওয়ান বাজার আম্বর শাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মালয়েশিয়া ইসলামিক ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী, ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন প্রমুখ

অন্যদের মধ্যে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. হাসানুর রহমান, মুফতি মোহাম্মদ ইউছুফ, মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. অহিদুর রহমান অহিদ, হাফিজুর রহমান ডাবলু, মাহতাব খন্দকার, রাশেদ বাদল, শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

আলোচনাসভা শেষে দেশ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে মোনাজাত করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *