উত্তর কোরিয়ায় শতভাগ ভোট পেয়ে বিজয়ী কিম!

উত্তর কোরিয়ায় শতভাগ ভোট পেয়ে বিজয়ী কিম!

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : উত্তর কোরিয়ায় জাতীয় নির্বাচন রোববার ৯১০মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটিতে একক প্রার্থীর জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন দেশটির নেতা কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার এই জাতীয় নির্বাচনে সব আসনেই প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ছিল একজন।

দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের শাসনামলে এটি দ্বিতীয় নির্বাচন। দেশটিতে গত নির্বাচনগুলোতেও প্রতি আসনে মাত্র ১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন। বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সংসদ ‘সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি’র (এসপিএ) এই নির্বাচনে প্রার্থী মোট ৭০০ জন হলেও প্রতিটি আসনেই প্রার্থী মাত্র ১জন। কোনও আসনেই বিকল্প প্রার্থী ছিল না।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সরকারি তালিকার বাইরে দেশটিতে অন্য প্রার্থী বেছে নেয়ার কোন সুযোগ থাকে না। কেননা দেশটিতে বিরোধী দল বলেও কিছু নেই।

এছাড়া দেশটির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সেখানকার ভোটারদের কোন সিল কিংবা ব্যালট পেপার পূরণ করা লাগেনা। ভোটের দিন ভোটারদের শুধু প্রতিটি আসনের জন্য নির্ধারিত প্রার্থীর নাম লেখা ব্যালট পেপার ব্যালট বাক্সে ফেলে দিয়ে হয়। দেশটিতে এ ধরনের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার শতভাগ।

উত্তর কোরীয় বিষয়ক একজন বিশেষজ্ঞ ফিয়োদর টার্টিস্কি বলেন, আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে ভোটারদের খুব ভোরে নির্বাচন কেন্দ্রে হাজির হতে হবে। এরপর ভোটার যখন ভোটকেন্দ্রে ঢুকবেন, তখন তার হাতে একটি ব্যালট পেপার দেয়া হবে।

সেখানে ব্যালট পেপারে একটাই নাম থাকবে। সেখানে কোন কিছু লিখতে হবে না। কোন বাক্সে টিক চিহ্ন থাকবে না। ভোটার শুধু ব্যালট পেপারটি নিয়ে একটি বাক্সে ভরে দেবে। ভোটের বাক্সটিও সাধারণত খোলা অবস্থায় রাখা হয়।

এছাড়া ভোটারদের ভোট দেয়া শেষ হলে একসঙ্গে মিলে আনন্দ করতে হবে। এর কারণ হিসেবে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের উল্লাস করবে এই কারণে যে, দেশের সুযোগ্য নেতাদের প্রতি সমর্থন জানাতে পেরেছে।

ফিয়োদর টার্টিস্কি আরো বলেন, উত্তর কোরিয়ার নিয়ময়ানুযায়ী ১৭ বছরের বেশি বয়সী সবাইকেই বাধ্যতামূলক ভোট প্রদান করতে হয়। যারা ভোট দিতে যায় না, ধরে নেওয়া হয় তারা চীনে পালিয়ে গেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *