ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই এই বিশ্বে: কানাডার প্রধানমন্ত্রী
পাথেয় রিপোর্ট : ঘৃণা আর ধর্মবিদ্বেষের প্রভাব খুবই ভয়াবহ হয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। পৃথিবীতে ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই জানিয়ে তিনি বলেন, এই পৃথিবীতে ঘৃণা ও ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই।ঘৃণা ও ধর্মবিদ্বেষের প্রভাব খুবই ভয়াবহ হয়ে থাকে।
তিনি লিখেন, প্রার্থনার সময় মানুষের ওপর হামলা করা অত্যন্ত বেদনার এবং নিউজিল্যান্ডে আজ যে গুলির ঘটনা ঘটেছে তার কঠোর নিন্দা করছে কানাডা। হতাহত এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা। নিউজিল্যান্ড এবং বিশ্ব মুসলিম জনগোষ্ঠীর মতোই আমরা আজ শোকাহত।
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় কানাডার নিহতদের পরিবারের স্বজনদের দেখা করে সান্তনা জানান ট্রুডো। এরপর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া পোস্টে এমন মন্তব্য করেন ট্রুডো।
এর আগে রোববার কানাডার অন্টারিওর অটোয়ার দক্ষিণ নিপেন মুসলিম কমিউনিটি মসজিদে তিনি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের বক্তব্য শোনেন এবং কিভাবে নিরাপদ ও সমন্বিত সমাজ গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
এদিকে ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন জাস্টিন ট্রুডো। সোমবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এ ফোনালাপ হয়।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান। এ ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যদের কোনোরকম ক্ষতি না হওয়ায় জাস্টিন ট্রুডো স্বস্তি প্রকাশ করেন।
এ সময় দুই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ৫০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের পাঁচজনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা আটজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪৮ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকজন। নৃশংস এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় বইছে।


