পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সমাজের নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ভারতের পদ্ম পুরস্কার জিতেছেন অন্তত ১১৯ কৃতি ব্যক্তি। গত ৯ নভেম্বর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দর হাত থেকে তারা পদ্ম পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বিজয়ী ১১৯ জনের মধ্যে ছিলেন আটজন মুসলিম। প্রথমজন মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান, যিনি চলতি বছরের এপ্রিলে ইন্তেকাল করেছেন। ভারতরত্ন-এর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মবিভূষণে ভূষিত হয়েছেন তিনি। তিনিসহ এ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতিছেন মোট সাতজন।
এর পরেই আছেন শিয়া পণ্ডিত মরহুম মাওলানা কালবে সাদিক। তিনি পেয়েছেন ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ। সর্বমোট ১০ জন এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়া অবশিষ্ট ১০২ জন পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। এ তালিকায় ছয়জন মুসলিমের নামও আছে। তারা হলেন- আলি মানিকফান, গুলফাম আহমেদ, লাখা খান ও গোলাম রাসুল এবং আমাদের বাংলাদেশের দু’জন সানজিদা খাতুন ও কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলি জহির।
আলি মানিকফানকে লাক্ষাদ্বীপে তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবনে অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছে। তিনি বহু প্রতিভাসম্পন্ন সমুদ্র গবেষক, পরিবেশবিদ, জাহাজ নির্মাতা ও কৃষিবিদ।
গুলফাম আহমেদ ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। তিনি শিল্পোন্নয়নে অবদান রেখেছেন।
লাখা খানও শিল্পে অবদান রাখায় পদ্মশ্রী পেয়েছেন। তিনি রাজস্থানের স্থানীয় সংগীতশিল্পী।
গোলাম রাসুল কাশ্মিরের একজন হস্তশিল্পী। পদ্মশ্রী পাওয়ার আগে তিনি টেক্সটাইলের জন্য জাতীয় পুরস্কার জেতেন।
আর বাংলাদেশের দুজন : সানজিদা খাতুন পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন শিল্পকলায় এবং কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলি জহির ‘পাবলিক অ্যাফেয়ার্স’-এর ক্ষেত্রে এই সম্মননা পান।


