পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাজারে চালের দাম গত চার-পাঁচ মাসে টানা কয়েক দফায় বাড়ার পর এবার কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে চালের দাম প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। খুচরা বাজারে অবশ্য এর প্রভাব দেখা যায়নি।
সপ্তাহের ব্যবধানে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে বেড়েছে সবজি ও সব ধরনের মুরগির দাম। দাম বেড়ে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১১০ টাকায়। তবে ডাল, পেঁয়াজ, তেল ও মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, যা আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীতে চালের বড় পাইকারি বাজার বাবুবাজারের একাধিক পাইকারি ব্যবসায়ী বলছেন, বেশ কয়েকটি কারণে চালের দাম এখন কমতির দিকে। ব্যাপকভাবে চাল আমদানিতে বাজারে চালের মজুদ বাড়ছে।
অন্যদিকে সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে সারা দেশে চাল বিক্রি করায় বাজারে এখন চালের চাহিদা কিছুটা কম। আগামী মাসের শুরুতেই আমন ধানের মৌসুম আসছে, তাই চালকল এবং বড় ব্যবসায়ীরা মজুদ চাল বাজারে ছেড়ে দিচ্ছেন। এসব কারণে চালের দাম কিছুটা কমতির দিকে।
বৃহস্পতিবার বাবুবাজারে প্রতি বস্তায় ১০০ টাকা কমে মোটা চাল ব্রি-২৮ বস্তাপ্রতি বিক্রি হয় ১৬০০-১৬৫০ টাকায়, চিকন চাল (মিনিকেট) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩২০০-৩৩০০ টাকায় এবং নাজিরশাইল বস্তা বিক্রি হয় ৩৫০০-৩৭৫০ টাকায়।
এ ব্যাপারে বাবুবাজারের চালের আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘পাইকারি বাজারে সব ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমেছে। সামনে আরো কমতে পারে।’
গতকাল রাজধানীর রামপুরা ও জোয়ারসাহারাসহ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে পাইকারিতে চালের দাম কমার প্রভাব দেখা যায়নি। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। মোটা চাল ব্রি-২৮ ৫৮-৬০ টাকা কেজি, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা কেজি ও নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।


