পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের চাপের মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি। তাই বিপদের আশংকা সত্ত্বেও ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশই নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জারি করা লকডাউন শিথিল করতে শুরু করেছে।
করোনায় নাকি ক্ষুধায় মৃত্যু- বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সামনে এখন এ প্রশ্ন। লকডাউনে ঘরে থাকলে না খেয়ে মৃত্যু। আর আয়-রোজগারের জন্য বের হলে করোনায় মৃত্যুর ভয়।
লকডাউন আর অর্থনীতির চাকা এ দুটির মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করেছে অনেক দেশ। লকডাউনের কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করে নিয়ম মেনে দোকানপাট, স্কুল-কলেজ এমনকি মদের বার ও নাইট ক্লাবও খুলে দিয়েছে কোনো কোনো দেশ। লকডাউন শিথিলের কয়েক দিনের মাথায় জার্মানিতে বাড়তে শুরু করেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশটির কর্মকর্তাদের আশঙ্কা এখনই পদক্ষেপ না নিলে মহামারী নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় ৬৬৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩২৪। মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৫৪৯ জনের।
অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে ১৬টি অঙ্গরাজ্যের নেতাদের চাপের মুখে গত সপ্তাহে লকডাউন শিথিল করেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। খুলে দেয়া হয় দোকানপাট ও স্কুল-কলেজ।
ফ্রান্সে ছাত্রসংখ্যা কমিয়ে এনে কিছু প্রাইমারি স্কুল খুলছে। জামাকাপড়, বইয়ের দোকান, সেলুনও খুলছে। তবে রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল ও বার বন্ধ রয়েছে।
বেলজিয়ামে আজই অধিকাংশ দোকান খুলবে। তবে রেস্টুরেন্ট, বার ও ক্যাফে বন্ধ থাকবে।
নেদারল্যান্ডসে প্রাইমারি স্কুল খুলছে আজ। তাছাড়া পাঠাগার, ড্রাইভিং স্কুল এবং চুল কাটার দোকানও খুলছে।
সুইজারল্যান্ডে প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুল খুললেও ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমিয়ে আনা হচ্ছে। রেস্টুরেন্ট, বইয়ের দোকান ও জাদুঘরে প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে।
স্পেনে একসঙ্গে ১০জনের বেশি জমায়েতের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।
যুক্তরাজ্যে চলতি সপ্তাহে লকডাউন শিথিল হচ্ছে। তবে কোথাও কোথায় কড়াকড়ি বলবৎ আছে।
ডেনমার্কে আজ খুলছে শপিং সেন্টার। পোল্যান্ডে হোটেল খুলে দেয়া হচ্ছে, যদিও বিদেশ থেকে কেউ এলে ২ সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।


