পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সারাবিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে রাখা করোনার হানা পড়েছে বাংলাদেশেও। দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জন। এরমধ্যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ আইইডিসিআর জানিয়েছে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে নতুন কোনো কোভিড-১৯ এর রোগী শনাক্ত হয়নি।
আইইডিসিআর-এর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে মোট ৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যাদের কারো নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি।
এছাড়া আগে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৪ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও জানান তিনি। এনিয়ে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া মোট ৪৮ জনের মধ্যে ১৫ জন সুস্থ হলেন।
সংস্থাটির পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী। তাদের বয়স ২ বছর থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে এবং গড় বয়স ২৯।
গত কয়েকদিনের মত আজও আইইডিসিআরের পরিচালক জানান কমিউনিটি ট্রান্সমিশন সীমিত আকারে শুরু হলেও তা এখনও বিস্তার লাভ করেনি। একটা দু’টো জায়গায় সীমিত আকারে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে একটি জায়গায় আমরা সংক্রমণের উৎস খুঁজে পাইনি, তাই সেই জায়গাটিকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে নজরদারি কার্যক্রম চালিয়েছি এবং এখনও চালাচ্ছি।
তিনি জানান, আরেকটি জায়গায় আমরা নির্দিষ্ট ক্লাস্টার বা গুচ্ছে রোগী পেয়েছি। তাই এটিকে আমরা সামাজিক সংক্রমণ বলবো না, তবে সীমিত আকারে সংক্রমণ হয়েছে তা আমাদের পর্যবেক্ষণে এসেছে।
কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশে
এক নজরে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি: (২৮শে মার্চ পর্যন্ত)
২৮শে মার্চ নতুন করে একজনও শনাক্ত হয়নি। মোট করোনাভাইরাস শনাক্ত ৪৮ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে।
২১শে জানুয়ারি থেকে সর্বমোট পরীক্ষার সংখ্যা ১০৬৮। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮ জন।
আইইডিসিআরের যোগাযোগের জন্য ০১৯৪৪৩৩৩২২২ অথবা ১০৬৫৫ নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এখান থেকে হান্টিং নম্বরের মাধ্যমে অন্যান্য নম্বরে টেলিফোনটি চলে যাবে। এছাড়া ১৬২৬৩ নম্বরেও যোগাযোগ করা যাবে।


