পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করেনাভাইরাস উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে লকডাউন আর কোয়রেন্টাইনের উপরেই আছে সারা বিশ্ব। এ সময়ে বিভিন্ন দেশে মসজিদে গিয়ে নামায আদায়ের ব্যাপারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানে এ ভাইরাস মোকাবিলায় মসজিদে নামাজ আদায়ে সীমাবদ্ধতা আরোপের ব্যাপারে পাকিস্তান সরকার যেসব দিক নির্দেশনা দিয়েছে তা নিয়ে দেশটির অন্তত ৫০ জন আলেম সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিস আল-আরাবিয়া সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের আলেমরা ইমরান খানের সরকারকে এই হুঁশিয়ারি দেন। তারা বলেছেন, মসজিদে নামাজ পড়ার ব্যাপারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করবেন না।
করোনাভাইরাস মোকাবেলার ব্যাপারে সরকার সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং পালন করছে। তা সত্ত্বেও রাওয়ালপিন্ডি এবং ইসলামাবাদের বেফাকুল মাদারিসের আলেমরা সরকারকে মসজিদে নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা জারি করতে নিষেধ করেছেন। সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের ৫৩ জন আলেম রাজধানী ইসলামাবাদের জামিয়া দারুল উলুম জাকারিয়ায় আজ বৈঠকে বসেন এবং সেখানে তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। আজকের বৈঠকে শীর্ষ পর্যায়ের আলেমদের পাশাপাশি বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক, নিষিদ্ধ ধর্মীয় সংগঠনের নেতা এবং রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তান সরকার করোনাভাইরাস মোকাবেলার অংশ হিসেবে পবিত্র রমজান মাসেও মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে কিছুটা সীমাবদ্ধতা আরোপের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে। এরপর পাকিস্তানের আলেমদের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি এল।
উল্লেখ্য, করোনার এই সময়ে বাংলাদেশে মসজিদে নামায আদায়ের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে জুমায় সর্বোচ্চ ১০ জন এবং সাধারণ নামাযে ৫ জনের বেশি নয় বলে নির্দেশনা জারি করেছে।
সূত্র : পার্সটুডে


