পাথেয় রিপোর্ট : রাজধানীর বায়ুদূষণ রোধে পানি ছিটানোর রিপোর্ট গ্রহণ করেনি হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী একমাসের মধ্যে সড়কে ধূলার কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণ রোধে কি কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবং কোথায় কোথায় পানি ছিটানো হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
বুধবার (১৫ মে) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময় এক তলব আদেশে হাইকোর্টে হাজির হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাদী ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান।
এই দুই নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্দেশে হাইকোর্ট বলে, কর অনুযায়ী সেবা পায় না জনগণ। আপনাদের অনেক অবহেলা রয়েছে। জনগণের কাছ থেকে যে পরিমাণ কর নেন সেই সেবা আপনারা জনগণকে দেন না। আপনারা এদেশের সন্তান। পাকিস্তান আমলের নয়, সবাই বাংলাদেশের কর্মকর্তা। দেশের প্রতি আপনাদের মায়া থাকা উচিত। মায়া না থাকলে পুরান এই শহর ঢাকাকে বসবাস যোগ্য করে গড়ে তোলা যাবে না।
আদেশে আদালত আরো বলে, মশা নিধনে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি ব্যবস্থা না নেন, তাহলে নগরবাসী ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হবে। আদালত বলে, আইন ও আদালতের আদেশ আপনাদের মানতে হবে। কেউই জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। আপনাদের আমাদের সকলের বেতন হয় জনগণের করের টাকায়। অতএব জনগণকে সঠিক সেবাটা দিতে হবে।
এর আগে ধূলা-দূষণের বিষয়ে সঠিকভাবে প্রতিবেদন না দেয়ায় তাদেরকে তলব করেছিলো আদালত।


