কর বাড়িয়ে দিতে পারে সৌদি আরব

কর বাড়িয়ে দিতে পারে সৌদি আরব

কর বাড়িয়ে দিতে পারে সৌদি আরব

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর সৌদি আরবের জনগণকে কোনো ধরনের কর দিতে হতো না। তবে দুই বছর আগে থেকে সে দেশের জনগণকেও কর দিতে হচ্ছে।

২০১৮ সাল থেকে সে দেশের জনগণকে কোনো সামগ্রী কিনলে পাঁচ শতাংশ কর দিতে হয়। তবে এই কর দেওয়ার ব্যাপারে সে দেশের জনগণ তখন থেকেই সন্তুষ্ট নয়।

অনেকেরই অভিযোগ, সরকার অহেতুক করের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে। এবার করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে যাওয়ার জেরে সারাবিশ্ব কঠিন সময় পার করছে। সৌদি আরবও চাপে পড়ে সরকারি খরচ কমিয়ে দিয়েছে। কারণ, বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা কমে গেছে। সে কারণে অন্যভাবে নিজেদের বাজেটের ঘাটতি পূরণের চিন্তা করছে সৌদি সরকার।

কেবল সৌদি আরবই কর বাড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না। সারাবিশ্বজুড়েই বিভিন্ন দেশের সরকার কর বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবছে।

এদিকে সৌদি আরবে ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে নানা সময়ে নানা রকমের পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হচ্ছে। ক্রাউন প্রিন্স সব সময় বাইরের দেশ থেকে অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। সৌদি আরবকে তিনি সারাবিশ্বের কাছে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে চান।

যদিও সৌদি আরবে করারোপের বিষয়টি নতুন। তার ওপর কর বাড়িয়ে দেওয়া একটু ঝুঁকিরই বটে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর দেওয়া জনগণ গণতন্ত্র পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে পারে। এজন্য বছরের পর বছর ধরে সৌদি সরকার কর নেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করেনি।

তবে নতুনভাবে কর নির্ধারণ হলে তার প্রভাব কী ধরনের পড়তে পারে, সে ব্যাপারে এখনই জানা যাচ্ছে না। অন্যদিকে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমোদন, দোকানে কাজ করার অনুমতি, সিনেমাহল চালু এবং স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখার অনুমোদন মিলে গেছে। সে ক্ষেত্রে নতুনভাবে নির্ধারিত করের কারণে গণতন্ত্র কামনার বিষয়টি ত্বরান্বিত হবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে চান না বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: দ্য আটলান্টিক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *