কষ্ট ছাড়াই ওজন কমাবেন যেভাবে

কষ্ট ছাড়াই ওজন কমাবেন যেভাবে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ওজন কমানো মুখের কথা নয়। তবে কিছু নিয়ম মানলে বাড়তি ওজন কমবে দ্রুত। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইটড্রিংকবিঞ্জ ডটকম’য়ের নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ রোনাল্ড স্মিথ বলেন, ‘খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা এবং সুস্থ থাকার অন্যান্য উপায় অনুসরণ করা অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব। তবে আলাদা সময় ব্যয় না করেও সহজ উপায়ে ওজন কমানো যায়।”

পানি পান

ইটদিস ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্মিথ বলেন, “ত্বক ভালো রাখতে এবং বিপাক বাড়াতে পানি পান উপকারী। প্রতি বেলায় খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করা দ্রুত পেট ভরায়। এছাড়াও, স্বাস্থ্যপোকারিতা বাড়াতে লেবু পানি পান করা যেতে পারে।”

‘হারা হাচি বু’ পদ্ধতি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ বিল ব্র্যাডলি বলেন, “এই খাদ্যাভ্যাস হল পূর্ণতার ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ভাগ খাওয়া।”

পৃথিবীর ঐতিহ্যবাহী খাবারের রেসিপি-বিষয়ক বই ‘ফুডস অব ক্রিট’ এই লেখক ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমার সারাদিনই হালকা ক্ষুধার্থ থাকার অভ্যাস। এতে আমার শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং একই সঙ্গে ওজন কমাতেও সহায়তা করে। প্রথমে এটাকে বেশ কঠিন মনে হলেও পরে তা বেশ সহজ হয়ে গেছে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যালরি গুনে না খেলেও অতিরিক্ত খাবারের অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন।”

ঘুম থেকে ওঠার দুই ঘন্টার মধ্যে নাস্তা করা

সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করার অভ্যাস না থাকা ক্ষতিকর। স্মিথের মতে, সকালে উঠে দেরিতে নাস্তা করা ক্ষুধাভাব বাড়ায় এবং ক্যালরি পোড়ানোর বদলে বাড়তি ক্যালরি যোগ করে।

আপেল খাওয়া

প্রতিদিন একটা আপেল খাওয়া নানারকম রোগ দূরে রাখে। এটা রোগ মুক্তির পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়তা করে। স্মিথ বলেন, “নিজের ওজন কমানোর আগে বিকালে আমার মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস ছিল। তবে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করার পর সেটা চলে গেছে। বলতে পারেন এটা ওজন কমানোর একটা গোপন অস্ত্র।”

খাবারের সময় ছোট প্লেট ব্যবহার

খাওয়ার সময় ছোটখাট কৌশল অনুসরণ অনেক বড় ফলাফল দিতে পারে। স্মিথের মতে, “ছোট প্লেটে খাওয়া কম খাবার খেতে সহায়ক। এতে প্লেটে বেশি খাবার নিলে মস্তিষ্কে সংকেত যায় যে, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া হচ্ছে ফলে সহজেই নিজেকে এর থেকে বিরত রাখা যায়।”

দীর্ঘ মেয়াদী স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

কয়েকদিন নিয়ম মেনে চলে বা খাবারে পরিবর্তন এনে ওজন কমানো যায় ঠিক তবে সবসময় তা স্থায়ী হয় না। অনেকেই শুরুতে ওজন কমাতে পারলেও পরে তা আবার বেড়ে যায়। এর কারণ ব্যাখ্যা করে স্মিথ বলেন, “ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহজ উপায় হল দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *