পাথেয় রিপোর্ট : রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষক হাসনা হেনাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এই শিক্ষকের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাসনা হেনা অরিত্রীর ক্লাস টিচার ছিলেন। অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার তার বাবা যে মামলা করেছিলেন সেখানে ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজীন ফেরদৌস ও প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আখতারের সঙ্গে তাকে আসামি করা হয়।
এর আগে দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে ডিবি পুলিশ হাসনা হেনাকে আদালতে হাজির করে। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কামরুল হাসান।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম জামিন আবেদন করে বলেন, হাসনা হেনা এ ঘটনায় জড়িত নন। প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর (অরিত্রী) অভিভাবককে ডাকতে বলায় উনি ডেকেছেন। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না। তার সম্পর্কে বাদী কোনো অভিযোগও করেন নাই।
এর আগে বুধবার (০৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার খন্দকার নুরুন্নবী। তিনি জানান, শিক্ষক হাসনা হেনাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রভাতি শাখার প্রধান জিনাত আখতার এবং অরিত্রীর শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে পল্টন থানায় মামলা করেন অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুলিশকে জানান, আমার কাজ হলো কোনো মেয়ে যদি ঝামেলা করে তাহলে তার বাবা-মাকে নিয়ে প্রিন্সিপালের কাছে নেওয়া। এ ক্ষেত্রে মোবাইল পাওয়ায় আমি তাই করেছিলাম। অধ্যক্ষ আমাকে যা বলেছেন আমি তাই করেছি।


