কিআ আনন্দে কিশোরের মৃত্যু; প্রশ্নবিদ্ধ প্রথম আলোর ভূমিকা

কিআ আনন্দে কিশোরের মৃত্যু; প্রশ্নবিদ্ধ প্রথম আলোর ভূমিকা

পাথেয় রিপোর্ট : শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকালে কলেজ ক্যাম্পাসে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাতের (১৫) মৃত্যু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক সূত্রে জানা যায়, বৈদ্যুতিক তারের জাল মাঠজুড়ে ছড়ানো ছিল। অনুষ্ঠানটি শিশু-কিশোরদের জন্য হলেও নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এদিকে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পরও বিষয়টি আয়োজক কর্তৃপক্ষ গোপন রাখায় এবং ঘটনার পর তাকে পাশের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে না নিয়ে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়ালে নেওয়ায় রেসিডেনসিয়ালের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাইমুল যখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, কিশোর আলো তখনো অনুষ্ঠান বন্ধ না করে কনসার্ট শুরু চালিয়ে গেছে। একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও অন্যান্য শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে অনুষ্ঠান চালু রাখায় প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়েছে প্রথম আলো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, কিশোর আলোর স্পন্সর থাকায় ৩০০ মিটার দূরত্বের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে না নিয়ে ৫ কিলোমিটার দূরের আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নাইমুলকে নিয়ে যাওয়া হয়। তা না হলে হয়তো নাইমুলের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো।

সূত্রটি আরও জানায়, অনুষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকদের ঘটনাটি চেপে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি জানান, নাইমুলের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে রেসিডেনসিয়াল কলেজ মাঠে জানাজা শেষে নাইমুলের মরদেহ গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *