কিতাব বিভাগ চালুর অনুমোদন দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা মাসঊদের অভিনন্দন
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জাতীয় দ্বীনী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড তথা বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশের কওমী মাদরাসার কিতাব বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ও পরীক্ষা গ্রহণের অনুমোদন দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় দ্বীনী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস যুগে একটি ভয়াল মহামারিকাল আমরা অতিক্রম করছি। সবধরনের রোগ বালা মসিবত থেকে মহান আল্লাহই আমাদের রক্ষা করতে পারেন। দেশের কওমী মাদরাসাগুলো অন্যান্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হিফজ বিভাগের পর ইলমে নববীর চর্চা কেন্দ্র কিতাব বিভাগও খোলে দেয়ায় আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অশেষ শুকরিয়া জানাচ্ছি। দেশের মন্ত্রণালয়, সচিলবালয়সহ সংশ্লিষ্ট যারাই কওমী মাদরাসা চালু হওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন সবারই শুকরিয়া জানাই।
আল্লামা মাসঊদ বলেন, দেশের অন্যান্য সব কিছুই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হয়ে গেছে। সুতরাং কওমী মাদরাসাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলতে কোনো বাধা ছিলো না। দেশের কওমী অঙ্গন একটি মাইলফলক অতিক্রম করেছে এবার। শত কষ্ট সত্ত্বেও কওমী মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ সহনশীলনতার পরিচয় দিয়েছেন। দেশে স্বাস্থ্যবিধি মানতে, করোনাকালে অভাবগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যে সাক্ষর রেখেছেন, করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন যে অবদান রেখেছেন তা এ দেশের মানুষ কোনো দিন ভুলতে পারবে না। করোনাযোদ্ধা, বিপদের বন্ধু এই লড়াকু আলেমশ্রেণিকে আমি অভিনন্দন জানাই। আসুন, আমরা আবারও ইলমে নূরের বাগানে ফিরে যাই। নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের চর্চার মোহনায় মিশে যাই। আল্লাহ তাআলা আমাদের কবূল করুন।
ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ জাতীয় বেফাক নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সব কাজ তো একমাত্র আল্লাহর জন্য। দ্বীনী কাজের জাযা দেবেন একমাত্র আল্লাহ তাআলা। আমরাও তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। জাতীয় দ্বীনী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড তথা বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ নেতৃবৃন্দের চেষ্টায় কওমী মাদরাসার দরজা খুলছে। এটা কতই না সৌভাগ্যের কথা। আল্লাহ তাআলা তাদের মেহনতকে কবুল করুন।
সোমবার [২৪ আগস্ট ২০২০] সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় দ্বীনী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এসব কথা বলেন।


