পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : নেক ও এক হওয়ার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে, মানুষের হৃদয়ে ঈমানের গভীর প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধির আলো জ্বালাতে, আগামী ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কার ইসলাহী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের সম্মানিত চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.)-এর খলীফার আহ্বানে আয়োজিত এই মহতী সমাবেশ প্রতি বছর লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির হৃদয়ে তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা পৌঁছে দেয়।
ইজতেমার আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং জামিয়াতুল ইসলাহ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মোস্তফা হুসাইন জানান, এবারের ইজতেমায় আত্মগঠনমূলক ইসলাহী কার্যক্রম, কোরআন তালিম, বিশেষ বয়ান, আম বয়ান, জিকির-আসকার, দরুদ পাঠসহ নৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও লাখো মুসল্লির আগমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষভাবে, ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার জুমার আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হবে। ইজতেমার বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচকগণ ইসলামের মূল শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধির পথনির্দেশনা দেবেন, যা মুসল্লিদের ইমানি চেতনা আরও দৃঢ় করবে।
প্রতিবছরের মতো এবারও নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থায় ইসলাহী আলোচনা শোনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য বিশেষ বয়ানের মাধ্যমে তাদের ঈমানি দীক্ষা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া হবে।
১৬ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমার সমাপ্তি হবে, যেখানে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও বিশ্ব উম্মাহর জন্য কল্যাণ কামনা করে দুয়া পরিচালনা করা হবে।
প্রতি বছর শীতের মৌসুমে অনুষ্ঠিত এই ইসলাহী ইজতেমা শুধু কিশোরগঞ্জ নয়, বরং সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য এক অনন্য আত্মশুদ্ধির আয়োজন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য আয়োজক কমিটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।


