কেজি ২৫০ টাকা ইলিশ

কেজি ২৫০ টাকা ইলিশ

কেজি ২৫০ টাকা ইলিশ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বলা যায় পানির দরে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। মাত্র দুশো পঞ্চাশ টাকা কেজি। এদিকে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে বড় আকারের রুপালি ইলিশ। গত কয়েক দিন ধরে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে এসে ভিড়ছে ট্রালারভর্তি ইলিশ। বেশি পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় দামও কমেছে। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে সর্বনিম্ন দামে অর্থাৎ ২৫০ টাকা কেজিতে ইলিশ বিক্রি হয়েছে।

মহিপুর মৎস্য বন্দরে ইলিশ বিক্রি করতে আসা কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের জেলে জয়নাল ফকির বলেন, প্রতিদিন সকালে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে ইলিশ নিয়ে অনেকগুলো ট্রলার ভিড়ছে। প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় দামও কমেছে। ১৫ দিন আগে প্রথম গ্রেডের অর্থাৎ এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশের মণ ছিল ৪০ হাজার টাকা; বর্তমানে ২৪ হাজার টাকায় কিনছেন আড়তদাররা। দ্বিতীয় গ্রেডের অর্থাৎ ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের মণ ছিল ৩০ হাজার টাকা; তা এখন ১৫-১৭ হাজার টাকায় কিনছেন আড়তদাররা। মাছ বেশি ধরা পড়ায় দাম কমে গেছে। তবে কয়েকদিন পর দাম বেড়ে যাবে।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার পায়রাগঞ্জ এলাকার জেলে মালেক মিয়া বলেন, নদীতে আগের চেয়ে ইলিশ বেড়েছে। ইলিশ বেশি ধরা পড়ায় এখন দামও কম। সোমবার সকালে ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২৫০-৩০০ টাকা বিক্রি করেছি।

সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, জেলেদের একেকটি জালের দাম ৫০ হাজার টাকা। নিষেধাজ্ঞার সময় এসব জাল আটক করতে গেলে জেলেরা হামলা চালায়। আগে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে অভিযানে যেতে হতো। এখন স্পিডবোটে দ্রুত সময়ে অভিযানে যাওয়া যায় এবং বেশি এলাকা পরিদর্শন করা যায়। তবে এখন জেলেরা অনেক সচেতন হয়েছেন। দু’একজন ছাড়া বাকি জেলেরা অবরোধের সময় মাছ ধরেন না। নিষেধাজ্ঞার সময় না ধরায় ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে। এজন্য ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। এটিই মৎস্য বিভাগের সফলতা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *