নিজস্ব প্রতিবেদক ● বর্তমানে বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রয়েছে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি আরও বলেন, আগামী কোরবানির ঈদের আগে জিনিসপত্রের দাম আর বাড়বে না। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। ঈদুল আজহার আগে মসলাসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায় এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবার বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ভোজ্য তেল থেকে শুরু করে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কোনোটারই দাম বাড়বে বলে মনে হয় না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং দল বাজারে যাচ্ছে না এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নেই? আরও সক্রিয় হওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে নির্দেশনা থাকবে। তারা যাতে কোরবানির আগে ভালো করে মনিটরিং করে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে গেছে
এ প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, জিনিসটা আমি নিজে দেখব। তিনি আরও বলেন, আপনারা জিনিসপত্রের দামের যে কথা বলছেন, আসলে জিনিসপত্রের দাম কিন্তু বাড়েনি। ঈদের সময় যা ছিল তা থেকে কমেছে। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কমা থেকে দু-একটি পণ্যের দাম হয়তো বাড়তে পারে। পেঁয়াজের দামের কথা বললেন, আমার এটা মনে হয় না (বেড়েছে)। বাজার স্থিতিশীল। এতকিছুর পরও রমজান মাসে আমাদের বাজার স্থিতিশীল ছিল। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বাণিজ্য সচিবকে বলব পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিটিং ডাকার জন্য, আমিও সেখানে থাকব। মিটিং করে করে আমরা একটা পদক্ষেপ নেব। ব্যবসায়ীরা আমাদের কথা দিয়েছে রোজার মাসে আর শুধু কোরবানি ঈদের সময়ই নয়, সারা বছরই জিনিসপত্রের দাম সাধারণ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, চালের দাম কমে আসছে। চিনির দাম স্বাভাবিক। একটা জিনিস ভালো, যদিও এটা বলা উচিত না। যেহেতু মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আছে এখন, বাজারে (দাম) যা চায় তাই দিয়ে কিনে। অনেকগুলো বাজার আছে, একেক বাজারে একেক দাম। এগুলো তো নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমি মনে করি আমাদের সবকিছুই স্বাভাবিক আছে।


