পাথেয় ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে দিল্লি। তার দিল্লি সফর ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব যেন না পড়ে, সে বিষয়টিকেই প্রাধান্য দিচ্ছে প্রতিবেশি দেশটি। সে কারণে লর্ড কার্লাইলের দিল্লি সফর অনেকটাই এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আগামী ১৩ জুলাই দিল্লিতে খালেদা জিয়ার এই আইনজীবী এক সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ে কথা বলতে চান কার্লাইল। সেখানে ঢাকা থেকে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাও যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন।
লর্ড কার্লাইলের সফর নিয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই দিল্লিকে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে দিল্লিকে অবহিত করা হয়েছে, খালেদা জিয়ার মামলা আদালতে বিচারাধীন। আইন অনুযায়ী মামলা চলছে। মামলার ফলাফল আদালতের রায়েই চূড়ান্ত হবে।
এছাড়া লর্ড কার্লাইলের ভারত সফর ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের গত নয় বছরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতা লাভ করেছে। উভয় দেশই মনে করে, দুই দেশের সম্পর্ক এখন সোনালী অধ্যায় পার করছে। এই সম্পর্ক আগামী দিনেও ধরে রাখতে চায় দুই দেশ। সে কারণে বাংলাদেশ ও ভারত এখন যে কোনো বিতর্কিত ইস্যু পরিহার করতে চায়।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী লর্ড কার্লাইলের ভারত সফর ঘোষণার পর থেকেই ঢাকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দিল্লিকে বিস্তারিত জানানো হয়। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে দিল্লিতে বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনকেও বিস্তারিত জানানো হয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশন থেকে দিল্লিতে এ নিয়ে ঢাকার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সে কারণে লর্ড কার্লাইলের ভারত সফর এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী লর্ড কার্লাইল যেদিন দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন, সেদিনই বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের সময় এই সংবাদ সম্মেলন নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে পারে দিল্লিও। সে কারণে লর্ড কার্লাইলের ওই সংবাদ সম্মেলন নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে ভারত।
উল্লেখ্য, লর্ড কার্লাইল ব্রিটিশ


