পাথেয় রিপোর্ট : চট্টগ্রামে হয়ে গেল বাংলাদেশসহ বিশ্বের ছয়টি দেশের সেরা ছয়জন কারিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন-২০১৯।শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলনে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতিতে জমিয়াতুল ফালাহ প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।
নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে শনিবার বাদ আসর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এ সম্মেলন চলে। পিএইচপি পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মুসলমানদের শুদ্ধভাবে আল কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক কারি বাংলাদেশের শায়খ আহমদ বিন ইউসুফ আল আজহারি, তুরস্কের ইয়াশার চৌহাদার, ফিলিপাইনের নোমান পিম বায়াবায়া, মিসরের শায়খ ইয়াসির মাহমুদ, দক্ষিণ আফ্রিকার আবদুর রহমান সাদিয়ান, ইরানের হামিদ শাকেরনেজাদের মনোমুগ্ধকর কণ্ঠে তেলাওয়াত শুনেন শ্রোতারা।
দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বরেণ্য উলামায়ে কেরাম, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন।
এসময় সম্মেলনের আয়োজক সুফি মিজানুর রহমান বলেন,পবিত্র কোরআন মাজিদ মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অমর মুজেযা। মানবজাতির হিদায়তের জন্য আল্লাহতায়ালা তার কালাম রাসুল (স)-এর ওপর নাজিল করেন। কোরআন মাজিদকে আঁকড়ে ধরলে পৃথিবীর কোনো অপশক্তি মুসলমানদের পরাজিত করতে পারবে না। উপস্থিত সবার উদ্দেশে তিনি বলেন, আসুন আমরা কোরআন মাজিদকে ভালোবাসি। আমাদের ছেলে সন্তানকে কোরআন মাজিদ শিক্ষা দিই। এতে আমাদের মঙ্গল, আমাদের দেশের মঙ্গল। পরকালেও আমরা পবিত্র কোরআন মাজিদের সুপারিশ অর্জনে সক্ষম হব।
ইকরার উদ্যোগে এবং আন্জুমান-এ রাহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ওই কিরাত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, আন্জুমান ট্রাস্টের সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ মুহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ আনোয়ার হোসেন, পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রিংকু প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমান ট্রাস্ট, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ও শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণ।


