নিজস্ব প্রতিবেদক ● ২০০৪ সালে আপনারা চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছিলেন কেন? ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বিএনপির নেতাদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন। ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করলে দেশের সামরিক তথ্য ভারত জেনে যাবে, বিএনপির পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য আসছে দাবি করে সোমবার রাজধানীতে এক সভায় এই প্রশ্ন করেছেন হানিফ। মহানগর দক্ষিণের আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুর হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লা। হানিফ বলেছেন, ইদানিং বিএনপি হঠাৎ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা বলছে, ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে নাকি আমাদের দেশের সকল সামরিক তথ্য ভারতের সামরিক বাহিনীর হাতে চলে যাবে।
সামরিক চুক্তি করলে যদি তথ্য চলে যায়, তাহলে ২০০৪ সালে আপনারা চীনের সঙ্গে সামরিক চুক্তি করেছিলেন কেন? বাংলাদেশের সামরিক তথ্য দেয়ার জন্যই কি তখন আপনারা সামরিক চুক্তি করেছিলেন? ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে জঙ্গিবাদবিরোধী তৎপরতাকে সরকার অভিনব কৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছে, বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেছেন, ভারত সফরের সঙ্গে জঙ্গির সম্পর্ক কি? এগারো সালে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে চুক্তির কারণে এখন বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে ওখানে থাকতে পারে না। দেশে মাদকের ছড়াছড়ি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান করে গেছেন দাবি করে হানিফ বলেছেন, ১৯৭৭ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াই লাইসেন্স দিয়ে গেছেন।
তিনি দেশের তিনশত থানায় একদিনে মদের লাইসেন্স দিয়েছেন। আজকে মাদকের ছড়াছড়ির জন্য জন্য বিএনপিই দায়ী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ওলামা-মাশায়েখের সমাবেশ সফল করতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সোমবার এই বর্ধিত সভার আয়োজন করে রমনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে।


