ছাত্ররাজনীতি কোনো ঘৃণার বিষয় নয়
মহিউদ্দিন আকবর : তাহলে আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেথ মুজিবুর রহমানের মতো বিশ্বনেতাকে পেতাম না।
তাছাড়া ১৯৭১ সালে ছাত্রনেতারাই জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে সংঘটিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অকুতোভয় নেতৃত্ব আর ছাত্রনেতাদের প্রাণপণ লড়াই আমাদের চিরদুশমন পাকিস্তানি হানাদারদের বাংলার পবিত্র মাটি থেকে তাড়িয়েছিলো। সৃতরাং ছাত্ররাজনীতিকে দোষারোপ করে, ঘৃণা করে বা বন্ধ করা সঙ্গত হবে বলে মনে হয় না।
প্রয়োজন হলো- ব্যাপক সংস্কার, কঠোর নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলার পুনপ্রবর্তন এবং ছাত্র সংগঠনগুলোকে সরাসরি রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে না রেখে স্বাধীনভাবে বিকাশের সুযোগ দেওয়া ও ছেলেমেয়েদেরকে নৈতিকতাবোধসম্পন্ন নেতা হিসেবে গড়ে তোলা।
তাহলে আমরা ভবিষ্যত নেতৃত্বশূন্যতা থেকে রেহাই পাবো।
আমার জীবনে দেখা ৬০ বছরের রাজনীতি ও ছাত্রসংগঠনগুলোর গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে আর পোড়খাওয়া জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে কথাগুলো বললাম।
হয়তো কারও মনে রেখাপাত করবে। আর দায়িত্বশীল মহল বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন সে আশাও করছি। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের শান্তির পথে এগিয়ে চলার সুযোগ দিন- কায়মনোবাক্যে এ প্রার্থনাই করছি।
নিশ্চয়ই আমরা একটি হতাশাগ্রস্ত জাতিতে পরিনত হতে চাই না।
লেখক : কবি ও কথাসাহিত্যিক
২৪ আশ্বিন ১৪২৬
০৯ অক্টোবর ২০১৯


