‘জামিআ ইকরা’ ইলম অন্বেষণের পরীক্ষিত মারকায : আরীফ উদ্দীন মারুফ

‘জামিআ ইকরা’ ইলম অন্বেষণের পরীক্ষিত মারকায : আরীফ উদ্দীন মারুফ

পাথেয় রিপোর্ট : রাজধানীর জামিআ ইকরা বাংলাদেশকে ইলম অন্বেষণের সঠিক মারকায হিসেবে অভিহিত করে মন্তব্য করেছেন জামিআ ইকরা বাংলাদেশের রঈস ও সার্কিট হাউজ মসজিদের খতীব মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ।

নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা যদি ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে এই প্রতিষ্ঠানে এসে থাকো, তাহলে সঠিক গন্তব্যে এসেছো। আর যদি ভিন্ন উদ্দেশ্যে এসে থাকো, তবে বিরাট ভুল করেছো। যদি তোমরা প্রকৃতপক্ষে ইলম হাসিল করতে চাও, তবে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি আইন-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলার পাশাপাশি শিষ্ঠাচার রক্ষা করে থাকবে।

সোমবার (২৪ জুন) জামিআ ইকরা বাংলাদেশর নতুন শিক্ষাবর্ষের তরবিয়তী মজলিসে ইকরা মিলনায়তনে মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ এসব কথা বলেন।

জামিআ ইকরা বাংলাদেশের রঈস আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা প্রতিষ্ঠানের নিয়মতান্ত্রিকতা রক্ষা করে চলে এবং ছাত্রাবস্থায় শিষ্ঠাচার বহির্ভূত কোন কাজ করে না, তারাই প্রকৃত তালিবুল ইলম। তাদের কর্মজীবন সুন্দর ও কল্যাণময় হয়।

মোবাইল শিক্ষার্থীদের মেধা নষ্ট করে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব ও জামিয়া ইকরার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুর রহীম কাসেমী বলেন, বর্তমান যুগের শিক্ষার্থীরা মোবাইল, ইন্টারনেট ,ফেসবুকে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। মোবাইল তাদের মেধা নষ্ট করছে। তিনি শিক্ষার্থীদের এসব বর্জন করে বেশি বেশি বই পড়া এবং আকাবির ও আসলাফের জীবনী পাঠে মনোযোগী হওয়ার কথা বলেন।

মাওলানা আব্দুর রহীম কাসেমী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তরবিয়ত হলো শিষ্ঠাচার। শিষ্ঠাচার লঙ্ঘণকারী ইলম ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত।

তরবিয়তী মজলিস আরও বক্তব্য রাখেন- মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান কাসেমী, মুফতী সাইফুল ইসলাম, মুফতী আমিনুর রহমান কাসেমী, মুফতী হামীদুর রহমান, মুফতী মুহাম্মদুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতী রিয়াজুল ইসলাম, জামিআর পরিচালক প্রশাসন ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মুফতী আব্দুস সালাম, মাওলানা আশিকুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে ১৯ জুন বুধবার জামিআ ইকরা বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাবর্ষের ইফতাহি দারসে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, সাইয়্যিদ মাওলানা আসআদ মাদানী রহ.-এর খলীফা, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেছেন, দারুল উলূম দেওবন্দ ও উলামায়ে দেওবন্দ বর্তমান যামানার মিয়ারে হক বা সত্যের মাপকাঠি।

তিনি বলেন, মূলত সাহাবায়ে-কেরাম হলেন সত্যের মাপকাঠি, হক ও বাতিলের মাঝে পার্থক্যকারী এবং কুরআন-সুন্নাহের প্রকৃত অনুসারী। তবে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক যামানায় উম্মতকে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্য কিছু সংখ্যক মানুষকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে বানিয়ে থাকেন। এ হিসেবে আমাদের এই যামানায় দারুল উলূম দেওবন্দ ও উলামায়ে দেওবন্দ হলেন সত্যের মাপকাঠি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *