পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সৌদি আরবের বিখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে সাত মিনিটেই কেটে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। তুর্কি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম মিডলইস্ট আই জানিযেছে, হত্যাকাণ্ডটি সাত মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে এবং তাকে জীবিত থাকাবস্থায়ই কেটে টুকরো টুকরো করা হয়।
খাসোগি হত্যাকাণ্ডের সময় রেকর্ডকৃত অডিও সম্পূর্ণ শুনেছেন এমন একজন সূত্র তাদের এ তথ্য জানিয়েছে বলে দাবী করছে অনলাইনটি।
সূত্রে জানা যায়, খাসোগিকে ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসের কনসুল জেনারেলের অফিস থেকে টেনেহিঁচড়ে পরবর্তী আরেকটি রুমের একটি টেবিলে নেয়া হয়। এ সময় ভবনটির নিচে থাকা লোকজন তার কান্না ও চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পান।
খাসোগিকে হত্যা করতে সেদিন ১৫ জন সৌদি দূতাবাসে এসেছিল বলে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সূত্রে খবর বেরিয়েছে। তাদের ভেতর একজন সালাহ মুহাম্মদ আল তুবাইগি। তাকে চিহ্নিত করা গেছে বলেও খবর নিশ্চিত করা গেছ। সালাহ মুহাম্মদ আল তুবাইগি সৌদি নিরাপত্তা বিভাগের ফরেনসিক প্রধান। এদিন তারা একটি প্রাইভেট বিমানে করে আঙ্কারায় এসে নামেন।
সূত্রে জানা যায়, খাসোগিকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনো উদ্যোগ ছিল না, বরং তাকে হত্যা করতেই তারা এসেছিল’। তাকে ধরলে কান্না থামাতে খাসোগিকে ইনজেকশন দেয়া হয়। এরপর তিনি নিরব হয়ে যান। তারপর তাকে কেটে কেটে হত্যা করা হয়। খাসোগি জীবিত থাকতেই তার দেহ কেটে টুকরো করতে থাকেন তুবাইগি। এ হত্যাকাণ্ডটি সময় নেয় মাত্র সাত মিনিট। তুবাইগি যখন দেহটি কাটছিলেন তখন তিনি মিউজিক শুনছিলেন। তখন দলের অন্য সদস্যদেরও তিনি তখন গান শুনতে বলেন। রেকর্ডে তুবাইগিকে তার সাথীদের বলতে শোনা গেছে, ‘আমি যখন এ কাজ করি তখন আমি গান শুনি। তোমাদেরও এটা করা উচিত।’
খাসোগি ২ অক্টোবর প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রের জন্য তুরস্কের সৌদি দূতাবাসে যান। সেদিনই ওই ব্যক্তিরাও সেখানে প্রবেশ করেন এবং তাকে এমন র্নশংসভাবে হত্যা করে।
তিন মিনিটের এ কথোপকথনের অডিওটি তুরস্কের সংবাদপত্র ডেইলি সাবাহকে দেয়া হলেও তারা এখনো তা প্রকাশ করেনি বলে সূত্রের দাবি।
খাসোগি জীবিত থাকতেই তার দেহ কেটে টুকরো করতে থাকেন তুবাইগি। এ হত্যাকাণ্ডটি সময় নেয় মাত্র সাত মিনিট। তুবাইগি যখন দেহটি কাটছিলেন তখন তিনি মিউজিক শুনছিলেন। তখন দলের অন্য সদস্যদেরও তিনি তখন গান শুনতে বলেন। রেকর্ডে তুবাইগিকে তার সাথীদের বলতে শোনা গেছে, ‘আমি যখন এ কাজ করি তখন আমি গান শুনি। তোমাদেরও এটা করা উচিত।’


