টঙ্গির ময়দানে বিশ্ব ইজতেমা হবেই : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

টঙ্গির ময়দানে বিশ্ব ইজতেমা হবেই : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

পাথেয় রিপোর্ট : টঙ্গির ময়দানে বিশ্ব ইজতেমা হবে। টঙ্গির ময়দানে বিশ্ব ইজতেমা হতেই হবে বলে মন্তব্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, আমরা বুধবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে উভয়পক্ষকে একত্রে আনবো। আমাদের চাপিয়ে দেওয়ার মতো একটি কথা আছে, সেটা হলো- টঙ্গির ময়দানে বিশ্ব ইজতেমা হতে হবে। তারা সবাই মিলে একসঙ্গে করবেন এটা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি থাকবে।’

সোমবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাবলিগের নিজামুদ্দিনের সাথীদের সাথে বৈঠক শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেন।

টঙ্গির ইজতেমা সারাবিশ্বে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে তারা বিভিন্ন কথা বললেন। বুঝলাম, কতগুলো তাল গাছ আছে, তাল গাছগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। কোনো তাল গাছ থাকবে না, সেভাবেই আমরা সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত করতে হবে। টঙ্গির ইজতেমা সারাবিশ্বে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশে কি কি গুন আছে, তার মধ্যে একটি মহৎ গুণ বিশ্ব ইজতেমা। প্রধানমন্ত্রীর কথা হলো- কে কি করল না করল সেটি আমাদের বিষয় নয়, টঙ্গিতে এতোদিন যাবত ইজতেমা হয়ে আসছে। ইজতেমা হচ্ছে না বা স্থগিত হয়েছে, এ ধরনের কথা কাউকে বলতে দেবো না। গত বছরও ভাগাভাগি হচ্ছিল, গতবার আমরা একত্রিত করতে পেরেছি। এবার আমরা সেই প্রক্রিয়া চালু রেখেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, বাংলাদেশে জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, কাকরাইল শুরার সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ওয়াসিফুল ইসলাম ও কাকরাইলের মুকিম মাওলানা আশরাফ আলী। প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ উপস্থিত, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশের মানুষ বিশ্ব ইজতেমার জন্য অপেক্ষায় থাকেন মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, নির্বাচনের জন্য আমরা ইজতেমার সময় ‘রিপ্লেস’করেছিলাম। তাবলিগ জামাত দুই ধারায় বিভক্ত আছেন সেটাও সবাই জানেন। আমরা শেষ চেষ্টা করছি তাদের একত্রিত করে সুন্দরভাবে বাংলাদেশে ইজতেমা যেন চালু থাকে এবং আগামীতেও একত্রিতভাবে করতে পারি। আমরা আগামী পরশুদিন আবার বসবো সকাল সাড়ে দশটায়। এক পক্ষের লোক আজ আসেনি, তারা সময় চেয়েছে। তারা বলছে, তারা সময়মতো নোটিশ পায়নি তাই তারা আসতে পারছে না।

কোনো পক্ষের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছি না। তারা তাদের মতো সিদ্ধান্ত নেবেন। তারা একসঙ্গে করবে, না কিভাবে করবেন, কবে করবেন সে সিদ্ধান্ত তারাই নেবেন। আমরা সেই অপেক্ষায় রয়েছি। আগামী পরশুদিন আশা করি সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন। তারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই আমরা ইনপ্লিমেন্ট করব।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *