’ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নথি যোগাড়ের চেষ্টা’

’ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নথি যোগাড়ের চেষ্টা’

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নথি যোগাড়ের চেষ্টা হচ্ছে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুরু হচ্ছে তদন্ত। নথি যোগাড়ের চেষ্টায় এখন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যোগাড়ের কাজে নেমেছে দেশটির প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিষয়ক কমিটি। ট্রাম্প এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিচার কাজে বাধা দেয়া, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। কমিটি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যোগাড়ের চেষ্টা চালাবে।

মার্কিন এবিসি নিউজ চ্যানেলকে কমিটির চেয়ারম্যান জেরোল্ড নাডলার বলেছেন, এ সব নথি পাঠানোর জন্য দেশটির ৬০ ব্যক্তি এবং সংস্থার কাছে অনুরোধ জানানো হবে। যাদের কাছে নথি পাঠানোর আহ্বান জানানো হবে তাদের মধ্যে ট্রাম্পের ছেলেরাও রয়েছেন।

ট্রাম্প মার্কিন বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছেন বলেও নিজ ধারণা এ সময়ে ব্যক্ত করেন তিনি। এদিকে, শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে ইমপিচ করা হবে কিনা তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে তা ঠিক করা হবে।
অবশ্য, কোনো আইন বিরোধী কাজ করেন নি বলে অব্যাহত ভাবে দাবি করছেন ট্রাম্প।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের প্রকল্পের অর্থ নিয়ে বিরোধের জেরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে ধারণ করা এক ভিডিও ভাষণে ট্রাম্প নিজেই এ ঘোষণা দেন।খবর বিবিসির।

শুক্রবার হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেন থেকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মেক্সিকো থেকে দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে মাদক, অপরাধী এবং অবৈধ অভিবাসীর ঢল ঠেকিয়ে দেশকে সুরক্ষিত রাখতেই তিনি জরুরি অবস্থার আদেশে সই করছেন।

ট্রাম্প জানান, জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে আগে বরাদ্দ চাওয়া ৫৭০ কোটি ডলারের বিপরীতে এবার প্রায় ৮০০ কোটি ডলার ছাড় করার সক্ষম হবেন তিনি। যদিও মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে প্রায় ২ হাজার তিনশ’ কোটি ডলার প্রয়োজন।

অবৈধ অভিবাসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যতম হুমকি বলে তুলে ধরেন ট্রাম্প। এ কারণে তিনি দেয়াল নির্মাণে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন বলে জানিয়েছেন।

মোক্সিকো সীমান্তে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ ছিল ট্রাম্পের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। নির্মাণ কাজ শুরু করতে চলতি বছর কংগ্রেসের কাছে ৫৭০ কোটি ডলারও চেয়েছিলেন তিনি। তবে সে টাকা না পেয়ে টানা ৩৫ দিন কেন্দ্রীয় সরকারকে কার্যত অচল করে রাখেন ট্রাম্প। তবে তার পরেও অর্থ সংস্থান না হওয়ায় তিনি জরুর অবস্থা ঘোষণা করলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *