পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আফগানিস্তানের আর বৃহৎ সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তালেবান নেতা আমির খান মুত্তাকি।
তিনি বলেন, আফগান ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ফোর্সেসে (এএনডিএফ) কাজ করা সবাইকে প্রশাসনের অধীনে রাখা হবে না।
ইসলামাবাদ সফরে এসে ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে বক্তৃতাকাল শুক্রবার (১২ নভেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।
মুত্তাকি জানান, বিদেশি হস্তক্ষেপে যে সেনাবাহিনী তৈরি হয়েছিল, আমাদের আর এত বড় সংখ্যার সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই। তিনি তালেবান যোদ্ধা এবং এএনডিএফ কর্মীদের একই সামরিক বাহিনীতে একীভূত করার জন্য তালেবানের কৌশল সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন। তালেবান অতীতে ইঙ্গিত দিয়েছিল, তারা দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিলে একীভূত করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের একটি ছোট সেনাবাহিনী প্রয়োজন। যারা বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি ও দেশপ্রেমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে। তিনি ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সাথে পাকিস্তান সফর করছেন। এ সফরে পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য পথ খোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়ার বিশেষ প্রতিনিধিদের সাথেও দেখা করেন। যারা আফগানিস্তানে ত্রোইকা প্লাস ফরম্যাটের অধীনে একটি বৈঠকের জন্য পাকিস্তানে অবস্থান করছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুত্তাকি বলেন, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিষয়গুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তালেবান যখন ক্ষমতার বাইরে ছিল তখন তাদের হত্যা করা মানবাধিকার লঙ্ঘন ছিল না। অথচ এখন তালেবানের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গত ২০ বছরেও বুঝতে পারল না, কোনো চাপের কৌশল তালেবানে কাজ করে না।
তিনি দাবি করেন, বর্তমান তালেবান প্রশাসন অন্তর্ভুক্তিমূলক। কারণ এতে বিভিন্ন জাতিসত্তার সদস্য রয়েছে। তবে জোর করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে, যা অন্য কোথাও আদর্শ নয়। আমরা জো বাইডেনকে বলিনি ট্রাম্পকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিতে।


