পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনাভাইরাসের সংক্রমণে দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। মোট জনসংখ্যার হার অনুযায়ী করোনার টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
বৈশ্বিক করোনা মহামারির তথ্য ও পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় থাকা জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসোর্স সেন্টারের প্রতিবেদনে সোমবার (৩০ আগস্ট) এ তথ্য ওঠে এসেছে।
সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় ৮টি দেশের মধ্যে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে ভারত। আর যথাক্রমে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার (৩০ আগস্ট) ভারতে মারা গেছেন ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২১০ জন। আর বাংলাদেশে পর্যন্ত মারা গেছেন ২৬ হাজার ১০৯ জন। এদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম সংখ্যক মানুষ মারা গেছেন ভুটানে। দেশটিতে এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিন জন।
করোনা শনাক্তে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে শনাক্ত হয়েছেন তিন কোটি ২৭ লাখ ৩৭ হাজার ৯৩৯ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশে একই সময়ে মোট শনাক্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ২৬১ জন। সবচেয়ে কম সংখ্যক শনাক্ত হয়েছে ভুটানে।
শনাক্তের হার বিশ্লেষণে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে আছে শ্রীলংকা। দেশটিতে শনাক্তের হার ৩২ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নেপালে শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ, তৃতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের শনাক্তের হার ১৪ শতাংশ, পাকিস্তানের শনাক্তের হার ছয় দশমিক ৯ শতাংশ, ভারত ও মালদ্বীপ উভয় দেশে শনাক্তের হার এক দশমিক ৯ শতাংশ। আফগানিস্তান ও ভুটানের তথ্য পাওয়া যায়নি।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসোর্স সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যা তুলনায় করোনার টিকা দেওয়ার হারে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফগানিস্তান। এরপরেই বাংলাদেশের অবস্থান। আফগানিস্তানে এক দশমিক ১৩ শতাংশ মানুষ দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন। আর চার দশমিক ৫৫ শতাংশ হারে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৪৮০ জনকে করোনার দুই ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে আছে ভুটান। দেশটিতে ৬২ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষকে পূর্ণ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।


