পাথেয় রিপোর্ট : ২ জুলাই সোমবার মাগরিবের নামাজের পর জামিআ রহিমিয়্যাহ ও মেহন্দইয়ান কবরস্থানের দায়িত্বশীল, মুতাওয়াল্লিদের নিয়ে একটি দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামিআ রহিমিয়্যাহ এর মুতাওয়াল্লি ওলী মুহাম্মদের মৃত্যুর পর তার কথা অনুযায়ী তার চাচাতো ভাই আব্দুল আজীজ জামিআ রহিমিয়্যাহ ও মেহন্দইয়ান কবরস্থানের মুতাওয়াল্লি হিসাবে নিযুক্ত হয়ে দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আব্দুল আজীজ তার সহযোগী হিসাবে তার ছেলে আব্দুল আলী ইবনে আব্দুল আজীজ ও মারিয়াহ বিনতে ওলী মুহাম্মদকেও মুতায়াল্লি হিসাবে ঘোষণা দেন। সোমবার তাদেরকে ভারতের জামিআ রহিমিয়্যাহ এর পক্ষ থেকে দস্তারবন্দীর মাধ্যমে সম্বর্ধনা দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জামিআ রহিমিয়্যাহ দেখাশুনা ও দায়ভার গ্রহণ করার জন্যে দায়িত্বশীলদের মধ্যে শুরা কমিটি গঠন করা হয়। শুরা কমিটিতে আছেন, মুহাম্মদ মানসুর, মুহাম্মদ হাশেম, মুহাম্মদ নাসির, আলহাজ মুহাম্মদ সবির, মুহাম্মদ নাঈম, ইসলাম উদ্দীন, মুহাম্মদ সাদিক, মাওলানা আশরাফ, মুহাম্মদ হারুন, মুহাম্মদ ইমরান, মুখতার আহমদ, মুহাম্মদ আশরাফ খান, মুহাম্মদ শাকের, মুহাম্মদ কালিম, আব্দুল ওহদী ও মুহাম্মদ মুশতাকের নাম আছে।
জামিআ রহিমিয়্যার শাইখুল হাদীস মুফতী আজীজুর রহমান উপস্থিত সবাইকে মাদ্রাসার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, আপনাদেরকে আমি মাদ্রাসার দেখাশুনা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্যে সবসময় আমাদের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জামিআ রহিমিয়্যাহ শিক্ষক মাওলানা সাবের আলী কাসিমী, মাওলানা মুর্তাজ কাসিমী, মাওলানা জালাল উদ্দীন, মুফতী শামীম মাহমুদ, মাওলানা মুহাম্মদ মুসতাকিম খান, মাওলানা মাজহার উদ্দীন খান, মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল, মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল, হাফেজ নূর মুহাম্মদ, হাফেজ আশরাফ আলী প্রমুখ।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ
সূত্র : ডেইলি সাহাফাত, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


