পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ দুঃশাসন অবসানে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতির মাধ্যমে দিনের ভোট রাতে করে অবৈধভাবে পুনঃক্ষমতাসীন হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। সেদিন দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। তাই বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দেশব্যাপী ‘কালো দিবস’ পাল করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। এ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে কালো পতাকা প্রদর্শন ও বিক্ষোভ-কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে কালো পতাকা মিছিল বের হয়। মিছিলটি কয়েক দফা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে মিছিল শাহবাগে গেলে দ্বিতীয় দফায় বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ঠেলাঠেলিতে বাম জোটের কয়েকজন কর্মী আহত হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে আগামী ৬ জানুয়ারি বুধবার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়।
এর আগে পুরানা পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, বাসদ মার্কসবাদী’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আ ক ম জহিরুল হক, ইউসিএলবি’র নজরুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি’র শহীদুল ইসলাম সবুজ, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র সিরাজুম মুনীর, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের হামিদুল হক, আকবর খান প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে একাদশ সংসদ নির্বাচন বাতিল, সরকারের পদত্যাগ এবং দ্রুত পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান। ওই সকল দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।
/এএ


