ধীরলয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন সুজন

ধীরলয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন সুজন

স্পোর্টস রিপোর্ট ● সময় একটু বেশি নিলেও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি সিঙ্গাপুরের গ্লেনিগ্লেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার সকালে জ্ঞান ফিরে তার। তিনি চোখ মেলে তাকিয়েছেন। চিনতে পেরেছেন পরিচিতদের। দুচারটে কথাও বলেছেন।

বিসিবি সূত্র থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সুজনের অবস্থা আরেকটু ভালো। বুধবারের চেয়ে আরও সহজভাবে তাকাতে পারছেন। কথাও বলতে পারছেন। সুজনের মস্তিষ্ক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির চিকিৎসক ডাঃ আমিন, যিনি এখন সুজনের সঙ্গে সিঙ্গাপুর রয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বাভাবিক হতে আরো কিছু দিন সময় লাগবে।

ব্ল্যাড সুগার ও উচ্চরক্তচাপ ছাড়া আপাতত বিশেষ কোনো রোগ নেই সুজনের। ঢাকাতে এমআরই করা হয়েছে। সেখানো জটিল কোনো কিছু ধরা পড়েনি। তবে এখনও অনেকটা ঘুমের ঘোরে রয়েছেন সুজন। যেটা কাটতে আর কদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

গত শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় খালেদ মাহমুদকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হলে সেখান থেকে রোববার দুপুরে নিয়ে যাওয়া হয় ইউনাইটেড হাসপাতালে। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

সোমবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। বুধবার জ্ঞান ফিরে পান সুজন। ঠিক কী কারণে সুজন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। সুজনের পারিবারিক জীবন নিয়ে নানা কথা শোনা যাচ্ছে ক্রিকেট পাড়ায়।

এক সময়ের লড়াকু এ ক্রিকেটার বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বও পালন করেন।বর্তমানে বিসিবির পরিচালকের পাশাপাশি জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করছেন খালেদ মাহমুদ। নিয়মিত ঘরোয়া টুর্নামেন্টে কোচিংয়ের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। গত বছর তার অধীনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপা জিতেছিল ঢাকা ডায়নামাইটস।

এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা জিতিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ও আবাহনী লিমিটেডকে। প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) শিরোপা উপহার দিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ।

কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালের দ্বিতীয় আসরে ঢাকা মেট্রো মাস্টার্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *