নবীজীর বাণী

নবীজীর বাণী

মাহমুদ এলাহী : নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ সম্পর্কে জানা যায় হাদীস থেকে। হাদীসের অনেকগুলো বড় বড় গ্রন্থ আছে। নবীজীর বাণীকে হাদীস বলে। নবীজীর কাজ কর্ম এবং চরিত্রের বর্ণনাকে ও হাদীস বলে। নবীজীর সমর্থন এবং আদেশ নিষেধের বর্ণনাকেও হাদীস বলে। ইসলামের সত্য ও সঠিক পথকে জানাবার জন্যে আমাদেরকে আল্লাহর বাণী কুরআন মজীদকে বুঝতে হবে এবং মানতে হবে।

ঠিক তেমনি আমাদেরকে নবীজীর বাণী হাদীস পড়তে হবে এবং সে অনুযায়ী চলতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ খুশী হবেন আমাদের প্রতি। আমরা হতে পারবো সত্যিকার মুসলিম।

এ জন্যেই আমরা এখানে সংকলন করেছি নবীজীর দশটি হাদীস। এসো আমরা সবাই প্রিয় নবীজীর এই বাণীগুলো পড়ি এবং মেনে চলি।

১. যে জ্ঞানের সন্ধানে বের হয় সে ‘আল্লাহর’ পথে বের হয়।
২. ধৈর্য জান্নাতের ভান্ডারসমূহের একটি ভান্ডার। [বায়হাকি]
৩. স্বামী খুশি থাকা অবস্থায় কোন স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতি। [তিরমিযী ১১৬৯]
৪. মহিলাদের নামায তাদের ঘরের গোপন কক্ষে পড়া উত্তম। [আবুদাউদ, হা, ৫৭০]
৫.পুলসিরাত জাহান্নামের মধ্যখানে স্থাপন করা হইবে। রাসুলের মধ্য আমিই সর্ব প্রথম স্বীয় উম্মত লইয়া ইহা অতিক্রম করিব। সে দিন নবী রাসুলগন ব্যতীত অন্য কেহ কথা বলিবে না। প্রত্যেক নবী বলিতে থাকিবে হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন। হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন।
৬. উত্তম স্ত্রী তো সেই যার দিকে তাকিয়ে স্বামী আনন্দিত হয়। স্বামী কোন কিছু আদেশ করলে তা পালন করে । এবং স্বামী যা অপছন্দ করেন ,স্ত্রী তা করে না । [মিশাকাত ৩২৭২]
৭. তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে নিবৃত্ত থাকবে। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমল বা পুণ্যগুলো এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়। [আবু দাউদ]
৮. আমার উম্মতকে ভুল, বিস্মৃতি ও জবরদস্তির গুনাহ হতে নিষ্কৃতি দেয়া হয়েছে। [সুনানে ইবনে মাজাহ-২০৪৫]
৯. একটি যুগ আসবে যখন মানুষ উপার্জন করতে একথা চিন্তা করবে না যে,আমি হালাল পন্থায় উপার্জন করছি,নাকি হারাম পন্থায়! [সহীহ বুখারী,হাদিস নং ১৯৪১]
১০. সব কাজের আসল কাজ হলো ‘ ইসলাম’ । [আহমদ]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *