নিরপরাধীকে ইনসাফ দেয়ার জন্য আমরা লড়বোই : আরশাদ মাদানী
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : যেখানেই নিরপরাধীর উপর জুলুম হবে সেখানেই আমরা লড়বোই, বেগুনাহ মাসুমদের পাশে দাঁড়াবো। জুলুমের শিকার আরও দশজন মুসলমানের জামিন নিয়ে জমিয়তে উলামা হিন্দের চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানী এসব কথা বলেন।
দিল্লি ফাসাদের কারণে বন্দী হওয়া এ পর্যন্ত দশজন জামিন পেয়েছেন। জমিয়তে উলামা হিন্দের চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানী জামিন পাওয়ার পর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জমিয়তে উলামা হিন্দ নির্দোষ মানুষদের পক্ষে শুরু থেকেই আছে। কাজ করে যাচ্ছে। যতদিন জমিয়ত থাকবে ততদিন মুসলমানদের জন্য কাজ করতেই থাকবে। নিরপরাধী কেউ কারাগারে থাকবে না। এ জন্যই আমরা সারা ভারতে সন্ত্রাসী ও আতঙ্কবাদীর অভিযোগে যাদেরকে কারাগারে অন্তরীন করে রাখা হয়েছে তাদেরকে বের করার জন্য আরও শক্তিমত্তার সঙ্গে সসম্মানে মুক্তির জন্য লড়বো। মুক্ত করে আনবো।
সম্প্রতি দিল্লী দাঙ্গার আরও দুই আসামী জামিন পেলে আরশাদ মাদানী গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
জমিয়তে উলামা হিন্দের চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানী বলেন, দিল্লী দাঙ্গার কারণে অনেক মুসলমান নওজোয়ান জেলে বন্দী জীবন কাটাচ্ছে। তাদেরকে ছাড়িয়ে আনাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা জিতবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আমাদের উকিলদের একটি টিম খুব গুরুত্বের সঙ্গে বন্দীদের ছাড়িয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ ভিত্তিতেই আমরা দশজনকে ছাড়িয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।
জমিয়তে উলামা হিন্দের চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানী বলেন, একএকজন অপরাধীর নামে অনেকগুলো এফআইআর করে রাখা হয়েছে। এ জন্য যতক্ষণ সব এফআইআর (মামলা) শেষ না হবে ততক্ষণ অভিযুক্তদের জেল থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। এক এক অপরাধীকে একসঙ্গে কয়েকটি এফআইআর নির্ধারণ করার পেছনে হয়তো পুলিশের এই উদ্দেশ্য থাকবে যে, সহজে তাদের জামানত না মিলে।
তিনি বলেন, আমাদের উকিলগণ যেভাবে কাজ করছেন সে দিন বেশি দূরে নয় যেদিন আমাদের সব নওজোয়ানদের কারাগার থেকে আমরা মুক্ত করে ছাড়বো।


