নুসরাতকে নিয়ে কাব্যগাঁথা
নরপিশাচ | মালেক মাহমুদ
কি করেছিস ওরে পশু
দাড়ি টুপির রূপধরে
মোল্লা নামের কলঙ্ক তুই
আসিস কেনো চুপ করে।
টুপি দাড়ি রাখলিরে তুই
তুই তো সত্যি মানুষ নয়?
খাঁটি মানুষ হলে রে তোর
থাকতো মনে খোদার ভয়।
বেশ দেখিয়া যায় না চেনা
মনের ঘরে পশুর বাস
পশুর কর্ম করলি রে তুই
বিচারে তোর গলায় ফাঁস।
ন্যায়ের কথা বলতে হবে
চলতে হবে হক পথে
হকবাধি রূপ বেহক হলে
দুঃখ জাগে মনরথে।
নুসরাত আমাদের ক্ষমা করে দিও। মিজান মালিক
কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে আবাল সিরাজুদ্দৌলা!
কতটা পশুত্ব আছে তার ধবধবে
সাদা পানজাবির পকেটে!
মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই পশুটার
একটা নাম দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
পশুরও থাকে ধর্ম। আবালেরও আছে।
পার্থক্য শুধু আকৃতিতে।
তার লালসার শিকার নুসরাত ।
একবার আত্মহননের কথাও ভেবেছিল ।
কিন্তু না। প্রতিবাদ করবে । আর এই হল তার কাল।
জীবন্ত টুকটুকে নুসরাতের জীবনের এই নির্মম পরিনতি আজ।
পশুটা ধরা পড়েছে। তাতে কি! বিচার হবে, নাকি ফাঁসি হবে!
নুসরাত তো আর নেই। ফিরে আর পাবে না তার
সেই আহ্লাদি জীবন।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পরিতাপের সঙ্গে বলছি-
আমরা ক্ষমা প্রার্থী। আমাদের ক্ষমা কর ।
একবার মা ডাক শুনতে শয্যার পাশে পড়ে থাকা
নুসরাতের মাকে শান্ত্বনা দেবার কোন শব্দ মনে আসছে না।
একবার বাবা ডাক শুনতে দিনরাত
একাকার করে দিয়ে যে বাবা কান
পেতে ছিলেন, তাকে কি বলে শান্ত করব ভাষা নেই।
পথ জানা নেই। সামনে কেবলই অন্ধকার।
মৌলভীটার নেই পরিচয় | ইমরান পরশ
মৌলভীটা বজ্জাত খুব
পালন করে ধর্ম
মনের ভেতর রাখে পুষে
সকল অপকর্ম।
অসভ্য সে মানুষ তো নয়
পশুত্ব তার স্বভাব
তার পাশবিক কাণ্ডগুলোর
কে দেবে আজ জবাব।
তার কাছে নাই বউ ভগ্নি
কন্যা কিংবা জায়া
তার পাশবিক মস্তিস্কে
নাই তো কোনো মায়া।
মৌলভীটার নেই পরিচয়
তার নাম তো ধর্ষক
অভিশাপের সব বৃষ্টি
তার ওপরে বর্ষ..।
আর না । জাহিদ জাবের
দেশ যাবে গোল্লায়
যাক না!
খুলবেনা তবু কারো
বিবেকের ঢাকনা!?
পোড়া দেহে কাতরায়
নুসরাত
সোনাগাজি পাজি হয়
নেমে আসে ঘুষ-রাত।
ঘুষ-গুণে ভাড়াটেরা
রাজপথে-
জয়ী করে হায়েনার হর্ষকে
পানে ঠোঁট লাল করে ধর্ষকে
আর কত বসে থাকা?
নামবিনা আজপথে?
আর কত তনু রাফি
জ্বলবে?
খুন গুম ধর্ষণ
চলছেই চলবে?
এক দফা এক দাবী
আর না
পশুদের প্রতিরোধে
আর কোন হার না..
খুনীদের ফাঁসিতেই
লটকা
ভাড়াটিয়া দালালেরো
ঘাড় ধরে মটকা।
১০/৪/১৯।


