পাথেয় রিপোর্ট : কেমন হবে দীর্ঘ এই পথযাত্রা। আগত মুসাফিরদেরই প্রস্ততি কেমন। কেমন লাগছে তাদের। সাথীদের ভেতর এই পথাযাত্রা নিয়ে অনুভূতিই বা কেমন তাই জানতে পাথেয় টোয়েন্টিফোর মুখোমুখি হয়েছে এখানে ব্যস্ত বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার দুই সিনিয়র নেতা মুফতী তাজুল ইসলাম কাসেমী ও মাওলানা হুমায়ুন কবীরের।
ময়মনসিংহ থেকে আসা মাওলানা তাজুল ইসলাম কাসেমীর কাছে শেষ সময়ের এই প্রস্ততি ও তার সঙ্গে আসা লোকজন ও গাড়ীর ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। ময়মনসিংহ থেকে ৭টি মাইক্রো নিয়ে আসা হয়েছে আমার নেতৃত্বে। সর্বমোট আমার কাফেলায় লোক সংখ্যা ৮০। আমার সাথীরা সবাই বেশ তৎপর ও তারা উৎফুল্ল। আল্লাহ চাহে তো আমরা সঠিক সময়েই পথযাত্রার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হব।
টাঙ্গাইলের মাওলানা হুমায়ুন কবীর বলেন, আল্লাহর রহমতে এটি একটি ঐতিহাসিক পথযাত্রা হতে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল দুটি গাড়ী নিয়ে এসেছি আমরা। প্রতি গাড়ীতে আমাদের লোক আছে ১০জন করে। সাথীরা সবাই বেশ আনন্দিত এবং এই পথযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারা তাদের দ্বীনি দায়িত্ব বলেও জানিয়েছেন আমাকে।
ভালুকা উপজেলা পরিষদ মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা কুতুবুদ্দীন সাহেব জানান, এই প্রথম জমিয়তের কোনও প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছি আমি। অত্যন্ত ভালে লাগছে আমার। আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব হুজুরের কাজ সবসময়ই যুগান্তকারী এবং খুব আধুনিক। হযরতের সব কাজই আল্লাহর অশেষ রহমতে দ্বীন ও জাতির জন্য কল্যাণকর হয়ে থাকে। আল্লাহর রহমতে এটিও আশাকরি তেমন সফল হবে।



