পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পশু ক্রয় ও কুরবানী দিতে পারে তার সুব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেছেন, কুরবানী মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রত্যেক সামর্থবান ব্যক্তির পক্ষ থেকে ঈদ-উল-আযহার দিনগুলোতে পশু কোরবানী দেয়া ওয়াজিব। দেশবাসী এ গুরুত্বপূর্ণ আমল যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারে তার জন্য সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। কিন্তু কিছু লোক করোনাভাইরাসহ সহ বিভিন্ন অজুহাতে পশু কুরবানীকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। এরা ইসলাম বিদ্বেষী মতলবাজ। সাধারণ দান-সদকা কুরবানীর বিকল্প নয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিবৃবিতে তারা এসব বলেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরও বলেন, কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমালে জটিলতা আরো বাড়বে। এক জায়গায় অধিক ক্রেতা-বিক্রেতার ভীড় হওয়ার সম্ভানা থাকে। তাই করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ সুরক্ষা সমুন্নত রেখে পর্যাপ্ত পশুর হাটের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষকরে রাজধানীসহ শহরাঞ্চলে পর্যাপ্তসংখ্যক পশুরহাটের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে কুরবানী দাতারা সহজে ও স্বল্প সময়ে কুরবানীর জন্য পশু ক্রয় করতে পারে।
এছাড়াও তারা বলেন, পশুর চামড়ার দাম নিয়ে যাতে গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য সরকারকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। চলমান করোনা দুর্যোগের অযুহাতে অসাধু চামড়া সিন্ডিকেট যাতে চামড়ার মূল্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে এবং এ বছর যাতে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয় তার জন্য সরকারকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
/এএ


