পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বন্যার কবলে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমে বাঁকুড়া থেকে পূর্বে হাওড়া সর্বত্র নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে। অসংখ্য গ্রাম প্লাবিত। বাড়ি ভেঙে-বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় শিবিরে যেতে হয়েছে বহু মানুষকে।
হুগলিতে বন্যাকবলিতদের উদ্ধারে সেনাও নামাতে হয়েছিল। পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন চালানো হচ্ছে। দেখা হচ্ছে, কোথাও কেউ আটকে পড়েছেন কি না। সরকারের তরফ থেকে ত্রাণ দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন অঞ্চলে রাস্তার উপরে ত্রিপল টাঙিয়ে অস্থায়ী ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে। স্কুল, কলেজেও ত্রাণ শিবির তৈরি হয়েছে।
এদিকে বন্যায় মৃতদের পরিবারকে দুই লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। মন্ত্রী ও আমলাদের বন্যাকবলিত এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বাঁকুড়া, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দুই বর্ধমান।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিপর্যয় মোকাবিলা দল ইতোমধ্যে জেলায় জেলায় পৌঁছেছে। তাদের মাধ্যমে আপাতত ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, সহসাই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, আরও কিছুদিন বৃষ্টি চলবে। এ বছর গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়েই অতিবৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি না কমলে বন্যার জল নামার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে প্রশাসন।


