ডাক দিয়ে যাই । লাবীব আব্দুল্লাহ
পাঠ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হোক আহমদ শফী রহ.
বেফাক প্রতিষ্ঠা থেকে যারা অবদান রেখেছেন এবং দুনিয়াতে নেই আজ এবং দেশের শীর্ষ মরহুম ৫০ জন আলেমের জীবনী লিখে পাঠ্যতালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করা যেতে পারে৷ বিগত দুই দশকে যারা ইন্তেকাল করেছেন বাইতুল মুকাররমের খতীব উবায়দুল হক রহ থেকে আল্লামা তাফাজ্জুল হক রহ পর্যন্ত সবার জীবনী গুরুত্বের সাথে পড়ানো যেতে পারে৷ মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ এর জীবনীও পাঠতালিকায় থাকতে পারে৷
শাইখুল আল্লামা আজিজুল হক রহ, আল্লামা মুফতী আমিনী ও পীরসাহেব চরমোনাই মাওলানা ফজলুল করীম রহ এর জীবনীও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে৷ আল্লামা নূরুদ্দীন গওহরপুরী, আল্লামা আশরাফ আলী রহ, ও আল্লামা হারুন ইসলামাবাদী রহ জীবনী তো হতেই হবে৷ বেফাকের ত্যাগী মহাসচিব মাওলানা আব্দুল জব্বার রহ এবং খ্যাতিমান দীনি ব্যক্তিত্ব আল্লামা আনওয়ার শাহ রহ এর জীবনীও থাকবে অন্তর্ভুক্ত৷
কওমী মাদরাসার নীতিনির্ধারণীগণ জীবনী সিরিজ লেখার প্রকল্প বাস্তবায়ণে কওমী ধারার লেখকদের যথাযথ সম্মানী দিয়ে জীবনীগুলো লেখার ব্যবস্থা করতে পারেন৷ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক মারহালাগুলোতে জীবনীগুলো পাঠ্য হতে পারে৷ ভাষা হবে সাবলীল এবং উপযোগী৷ শব্দ সংখ্যা থাকবে সীমিত৷ থাকবে প্রশ্নোত্তর৷
এইসকল মনীষীদের জীবনী সহপাঠ হিসেবে তালেবে ইলমদের পড়তে হবে এবং পুরস্কার বা স্কলারশিপ থাকবে এই মনীষীদের নামে৷ আমি কারোর নাম নিলাম না বর্তমানে কওমীতে অনেক লেখক রয়েছেন যারা এই প্রকল্প বাস্তবায়ণে যোগ্যতা রাখেন৷ এই ক্ষেত্রে লেখকদের জীবনী লেখার দায়িত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করার জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে পারে৷
আল্লামা আহমদ শফী রহ কর্মময় জীবনী বিশেষভাবে পাঠ্যতালিকায় থাকতে পারে৷ বেফাকের নতুন দায়িত্বশীলগণ কওমীর সিলেবাস সংযোজন, বিয়োজন ও পরিমার্জন করবেন এই প্রত্যাশা৷
ইবনে খালদুন ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ থেকে


