পেঁয়াজের ক্রেতা পাচ্ছে না টিসিবি

পেঁয়াজের ক্রেতা পাচ্ছে না টিসিবি

পেঁয়াজের ক্রেতা পাচ্ছে না টিসিবি

পাথেয় রিপোর্ট :: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি’র পেঁয়াজ বিক্রির লাইনে এখন মানুষ দাঁড়াচ্ছে না। বিস্ময়কর হলেও সত্য, মানুষ এখন বাজার থেকেই প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ কিনে নিচ্ছে বলে টিসিবি বিক্রয়কেন্দ্র ঘুরে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই টিসিবির ট্রাক সেলের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত সস্তায় প্রতি কেজি ৪৫ টাকা দরে মিশরীয় পেঁয়াজ বিক্রি করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিক্রেতারা।

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিদিন তিন টন পেঁয়াজ বিক্রির জন্য আনা হলেও ক্রেতা পাচ্ছেন না তারা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্রেতার দেখা মিলছে না। সরবরাহ বেশি থাকায় ক্রেতারাও আগের মতো ৩-৪ কেজি করে পেঁয়াজ কিনছেন না। স্বল্প সংখ্যক ক্রেতা যারা পেঁয়াজ কিনছেন তারাও এক দুই কেজির বেশি কিনছেন না। প্রতিদিনের টার্গেট ৩-৪ টন পেঁয়াজ বিক্রি করতে রাত ১২টা পর্যন্ত রাস্তায় থাকতে হচ্ছে ট্রাক বিক্রেতাদের। টিসিবির একাধিক পেঁয়াজ বিক্রেতার সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানা গেছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউমার্কেটের অদূরে টিসিবির ট্রাকে দেখা যায়, ট্রাক ভর্তি বস্তা বস্তা পেঁয়াজ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু ক্রেতা নেই। হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা উঁকিঝুঁকি মেরে পেঁয়াজের সাইজ এত্তো বড় কেন বলে প্রশ্ন করছেন।

আবদুর রহমান নামে ট্রাক বিক্রেতা জানান, বাজারে দেশি পেঁয়াজ আসার পাশাপাশি সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ সরবরাহের কারণে চাহিদা কমে গেছে।
তিনি জানান, কিছুদিন আগেও ১০০০ কেজি পেঁয়াজ এক ঘণ্টার কম সময়ে বিক্রি করতেন। পেঁয়াজ না পেয়ে লোকজন গালাগালিও করেছে। বাজারে সরকারিভাবে বিক্রিত মিশরীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকা দরে কেনার সুযোগ পেয়ে অনেকে বাসায় স্টক করে রেখেছেন। এ কারণে পেঁয়াজের বিক্রি কমে গেছে।

আবদুর রহমান জানান, বর্তমানে তারা প্রতিদিন তিনটন পেঁয়াজ বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। পেঁয়াজ পচনশীল পণ্য হওয়ায় বিক্রি শেষ না করে যান না। কিন্তু তা করতে গিয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে বিক্রি করতে হয়।

তিনি বলেন, শীতের রাতে খোলা ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করতে গিয়ে ঠাণ্ডা জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *