পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর ও ভারতের হারদুঈ হযরত এর খলীফা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর হামিদুর রহমান (৮৫) গতকাল বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ দা.বা.।
তিনি বলেন, ‘প্রফেসর হামিদুর রহমান সিলসিলায়ে থানবীর একজন বুযুর্গ ছিলেন। তিনি পার্থিব শিক্ষার পাশাপাশি দাওয়াত ও তরিকতের দীক্ষায়ও দীক্ষিত হয়েছিলেন। তিনি কুরআনুল কারীমের বড়ই আশেক ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর সোহবতে ধন্য হয়েছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করে, তাঁর মাকামকে বুলন্দ করুন’।
উল্লেখ্য যে, প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান ৯ জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে মুন্সীগঞ্জের নয়াগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ইসলামিয়া হাইস্কুল থেকে ১৯৫৫ সালে ম্যাট্রিক পাস করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। পরে ১৯৫৭ সালে কলেজ পাস করে ভর্তি হন আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বর্তমানে বুয়েট)।
ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে কর্মজীবন শুরু করেন সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে। পরে যোগ দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে । যে কারণে তাঁকে প্রফেসর হযরত নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। তিনি ৫ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক। তিনি হাফেজ্জী হুজুর এর কাছে বায়াত হন ১৯৭৪ সালে। এর পাঁচ বছর পর তিনি খেলাফত লাভ করেন।
হাফেজ্জী হুজুর এর ইন্তেকালের পর তিনি হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভি (রহ.)-এর সর্বশেষ খলিফা হারদুঈ হযরত খ্যাত মাওলানা আবরারুল হক (রহ.)-এর কাছে বায়াত হন এবং খেলাফত লাভ করেন।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অসংখ্য আলেম উলামার পীর বা আধ্যাত্মিক রাহবার। তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ করেছিলেন এদেশের উল্লেখযোগ্য আলেম উলামা ও দ্বীনদার সাধারণ মুসলমান।


