পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : প্রাথমিক পঞ্চম শ্রেণিতে মোট ৮২,৩৮৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে পেয়েছে ৩৩,০০০ যা আগের বছর ছিল ২২,০০০। সাধারণ কোটায় এবার পেয়েছে ৪৯,৩৮৩ শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ৩৩,০০০।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।
বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি অনুদান পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, স্থানীয়ভাবে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় এবং উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে পাওয়া যাবে।
এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় নিবন্ধন করে পাঁচ লাখ ৩৯২ জন, অংশ নেয় চার লাখ ৮২ হাজার ৯০৪ জন।
উপজেলা/থানার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার অনুপাতে উপজেলা/থানা কোটা নির্ধারণ করে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি বণ্টন করা হয়। সাধারণ বৃত্তি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ওয়ার্ডভিত্তিক বিতরণ করা হয়।
এ বছর সাধারণ গ্রেডে বৃত্তির ক্ষেত্রে ৮,১৪৫টি ইউনয়িন/পৌরসভা ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ছয়টি (তিনজন ছাত্র ও তিনজন ছাত্রী) হিসেবে ৪৮,৮৭০টি বৃত্তি দেওয়া হয়। অবশিষ্ট ৬৩০টি বৃত্তি থেকে প্রতিটি উপজেলা/থানায় একটি করে ৫১৩টি উপজেলা/থানায় একটি করে সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বৃত্তির অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। আগে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পাওয়াদের মাসে ২০০ টাকা করে দেওয়া হলেও ২০১৫ সাল থেকে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রেডে এ মাসে ১৫০ টাকার পরিবর্তে ২২৫ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
তাছাড়া উভয় ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর ২২৫ টাকা করে এককালীন দেওয়া হচ্ছে।


